× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৩০ এএম

হাম উপসর্গে ৭ মৃত্যুর দিনে মোট মৃত্যু ৬০০ ছাড়াল

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৩০ এএম

হাম উপসর্গে  ৭ মৃত্যুর দিনে  মোট মৃত্যু  ৬০০ ছাড়াল

সারা দেশে হাম উপসর্গে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সারা দেশে হামে মোট মৃত্যু ছাড়াল ৬০১। নতুন করে ৫৫ জন শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে আর হাম উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ২১০ শিশুর মধ্যে। হাসপাতালে নতুন ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৫২ শিশু। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সমন্বিত নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম সন্দেহে সারা দেশে মোট হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ৬০ হাজার ১৫৮। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা ৯ হাজার ১৯১। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৫৫ হাজার ৯৪২টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে সাতটি শিশু মারা গেছে। গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হামে ৯০ ও এর উপসর্গ নিয়ে ৫১১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মোট মৃত্যু ৬০১। বিভাগভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ শনাক্ত হয়েছে ঢাকা বিভাগে (৫২৬ জন)। এরপরই রয়েছে চট্টগ্রাম (২১৫ জন) ও বরিশাল (১৫২ জন)।

গত ২৪ ঘণ্টার বিভাগভিত্তিক সংক্রমণের তালিকায় দেখা গেছে, ঢাকায় ৫২৬, রাজশাহীতে ৮৪, বরিশালে ১৫২, চট্টগ্রামে ২১৫, ময়মনসিংহে ৬৮, সিলেটে ৬১, খুলনায় ৮৩ ও রংপুরে ৩১টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে। গত চার ও ২৫ মে হাম ও উপসর্গে এক দিনে ১৭টি এবং ২৪ মে এক দিনে ১৬টি শিশুর মৃত্যুর খবর দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম সংক্রমণের শুরুতে দ্রুত ও সমন্বিত উদ্যোগ না নেওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। সময়মতো ব্যাপক টিকাদান, রোগী শনাক্তকরণ, চিকিৎসা নির্দেশিকা বাস্তবায়ন, অক্সিজেনসহ জরুরি সেবা নিশ্চিত করা গেলে এত প্রাণহানি এড়ানো সম্ভব ছিল।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু টিকাদান বাড়ালেই হবে না; শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করা, দ্রুত চিকিৎসা, অক্সিজেন সুবিধা এবং স্থানীয় পর্যায়ে নজরদারি জোরদার করাও জরুরি। অন্যথায় সামনে আরও বড় মানবিক সংকট দেখা দিতে পারে।

বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ জিয়াউল হক বলেন, ‘হাম অত্যন্ত সংক্রামক হলেও দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা গেলে ৯৯ শতাংশই সুস্থ হয়ে ওঠে। নিউমোনিয়া, শ^াসকষ্ট ও অক্সিজেনের ঘাটতি দ্রুত শনাক্ত করা না গেলে মৃত্যুঝুঁকি বেড়ে যায়’।

প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, ‘মারা যাওয়া শিশুদের বড় অংশ অপুষ্টিতে ভুগছিল। মায়েদের পুষ্টিহীনতাও শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে দিচ্ছে। ফলে হাম ও এর জটিলতা ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় হামের টিকার বয়সসীমা ৯ মাস থেকে কমিয়ে ৬ মাস করা হয়েছে। আগে টিকা পাওয়া শিশুরাও চলমান বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির আওতায় টিকা নিতে পারবে’।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!