ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সরকার বাড়াল বিদ্যুতের দাম, বোঝা বইবে জনগণ

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুন ৪, ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম

বৈশি^ক বাজারে অস্থিরতার কারণে বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আড়াই মাসের মাথায় জ¦ালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়। এবার সেই ধারাবাহিকতায় এক মাসের ব্যবধানে বাড়ানো হলো পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের দামও। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ঘোষিত নতুন দাম অনুযায়ী পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ১৯.৮৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ। এ ছাড়া সঞ্চালন চার্জ ২৩.৯৬ শতাংশ বাড়িয়েছে। এর মধ্যে গ্রাহক পর্যায়ে সর্বনি¤œ লাইফলাইন গ্রাহকের ১৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৯.৯৪ শতাংশ দাম বাড়ানো হয়েছে। শুধু তাই নয় সেচ, রাস্তার বাতি, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও ব্যাটারি চার্জিংয়েও গুনতে হবে বাড়তি বিল। নি¤œচাপে সেচে ৫.২৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬.০৪ টাকা এবং ব্যাটারি চার্জিংয়ে পিকে ১২.১৪ টাকা বাড়িয়ে ১৪.২০ টাকা, অফ-পিকে ৮.৬৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০.২২ টাকা করা হয়েছে। বাড়তি দামের কবল থেকে বাদ যায় শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, দাতব্য প্রতিষ্ঠান এবং হাসপাতালগুলোও। এসব খাতে ৭.৫৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৯.০৫ টাকা করা হয়েছে। ফলে আবাসিক থেকে শুরু করে ক্ষুদ্র শিল্প, বৃহৎ শিল্প, বাণিজ্যিক সব খাতের গ্রাহকদেরই পোহাতে হবে চরম দুর্ভোগ। বাজেট প্রণয়নের ঠিক আগে আগে সরকারের এমন সিদ্ধান্তকে আত্মঘাতী বলছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারের এ সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হবে বলেও মত তাদের।

গতকাল বুধবার রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ এ ঘোষণা দেন। কমিশনের আদেশ অনুযায়ী, জুন মাসের বিল থেকেই নতুন মূল্যহার কার্যকর হবে। বিইআরসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের ভারিত গড়মূল্য প্রতি ইউনিট ৭ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে তা ১ টাকা ৩৯ পয়সা বাড়িয়ে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে খুচরা পর্যায়ে বিদ্যুতের গড় মূল্য ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ১০ টাকা ৬৩ পয়সায়। এ ছাড়া বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার বা হুইলিং চার্জও বাড়ানো হয়েছে। বিদ্যমান ৩১ দশমিক ৩৫ পয়সা থেকে তা বাড়িয়ে ৩৮ দশমিক ৮৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিইআরসি জানায়, বিদ্যুৎ উৎপাদন, ক্রয় ও আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যয় এবং সার্বিক আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্যহার নির্ধারণ করা হয়েছে। কমিশনের হিসাবে, পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) ঘাটতি পূরণে সরকারকে বছরে প্রায় ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

এর আগে গত মে মাসের শুরুতে বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন ও খুচরা মূল্য বৃদ্ধির প্রস্তাব জমা দেয় পিডিবি, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ, ডেসকো, ডিপিডিসি, পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড, ওজোপাডিকো ও নেসকো। এসব প্রস্তাবের ওপর ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। পিডিবি পাইকারি পর্যায়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। অন্যদিকে বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানি ৩ পয়সা থেকে ২৯ পয়সা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির আবেদন করে।

এসব প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে নতুন ঘোষিত দর অনুযায়ী আবাসিক, কৃষি, শিল্প, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, সেচ ও বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং স্টেশন সব শ্রেণির গ্রাহককেই আগের তুলনায় বেশি দাম গুনতে হবে। নতুন ট্যারিফে আবাসিক গ্রাহকদের ক্ষেত্রে ব্যবহারভেদে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ৬৯ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২ টাকা ৭৪ পয়সা পর্যন্ত বেড়েছে। শতাংশের হিসাবে বিভিন্ন শ্রেণিতে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত। নতুন দর অনুযায়ী, আবাসিক প্রান্তিক গ্রাহকদের (০-৫০ ইউনিট) প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ টাকা ৩২ পয়সা, যা আগের চেয়ে ৬৯ পয়সা বা ১৪ দশমিক ৯০ শতাংশ বেশি। ০-৭৫ ইউনিট ব্যবহারকারীদের জন্য ইউনিটপ্রতি দাম ৬ টাকা ১৮ পয়সা, যা ৯২ পয়সা বা ১৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ছাড়া ৭৬-২০০ ইউনিট ব্যবহারে প্রতি ইউনিটের দাম হবে ৮ টাকা ৫০ পয়সা, যা ১ টাকা ৩ পয়সা বেশি। ২০১-৩০০ ইউনিটের জন্য নতুন দর ৯ টাকা ১০ পয়সা, যা ১ টাকা ৫১ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। ৩০১-৪০০ ইউনিটের ক্ষেত্রে ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৯ টাকা ৬২ পয়সা এবং ৪০১-৬০০ ইউনিটের জন্য ১৫ টাকা ১ পয়সা। সবচেয়ে বেশি ব্যবহারকারী শ্রেণি অর্থাৎ ৬০০ ইউনিটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে প্রতি ইউনিটের জন্য গুনতে হবে ১৭ টাকা ৩৫ পয়সা, যা আগের তুলনায় ২ টাকা ৭৪ পয়সা বেশি। কৃষি সেচে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ টাকা ৪ পয়সা। এ খাতে প্রতি ইউনিটে ৭৯ পয়সা বা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।

এ ছাড়া, ক্ষুদ্রশিল্পের ফ্ল্যাট রেটে ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের দাম হয়েছে ১২ টাকা ৭৩ পয়সা, যা ১ টাকা ৯৭ পয়সা বেশি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, উপাসনালয় ও হাসপাতালের জন্য ইউনিটপ্রতি নতুন দর ৯ টাকা ৫ পয়সা, যা আগের চেয়ে ১ টাকা ৫০ পয়সা বেশি। রাস্তার বাতি ও পানির পাম্পে ব্যবহৃত বিদ্যুতের ইউনিটপ্রতি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ টাকা ৪৬ পয়সা। একইভাবে বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং স্টেশনের জন্য নতুন দর ১১ টাকা ৩৬ পয়সা, যা ১ টাকা ৭৪ পয়সা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাণিজ্যিক ও অফিস শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি বিদ্যুতের মূল্য ১৫ টাকা ৩৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ শ্রেণিতে দাম বেড়েছে ২ টাকা ৩৫ পয়সা বা ১৮ দশমিক ৬ শতাংশের বেশি। শিল্প খাতেও বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। ৩৩ কেভি শিল্প গ্রাহকদের জন্য ইউনিটপ্রতি নতুন দর ১২ টাকা ৭৫ পয়সা এবং ১৩২-২৩০ কেভি শিল্প গ্রাহকদের জন্য ১২ টাকা ৬৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি ইউনিটে ২ টাকা করে দাম বাড়ানো হয়েছে।

এদিকে বিদ্যুতের এই নতুন মূল্যহার নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। রাজধানীর মতিঝিল ব্যাংক পাড়ার বাসিন্দা স্কুল শিক্ষিকা হাসনা হেনা বলেন, সবকিছুর দাম বাড়ছে, কিন্তু সেই অনুপাতে মানুষের আয় বাড়ছে না। এভাবে চলতে থাকলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে যাবে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির কারণে দাম বাড়ানোর প্রয়োজন হলে সেটি বুঝি, কিন্তু অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে ব্যয় বেড়ে থাকলে তার দায়ও কি সাধারণ মানুষকেই বহন করতে হবে?

বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ বিলেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। শিল্প উৎপাদন ব্যয়, সেচ কার্যক্রম, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়েও এর প্রভাব পড়তে পারে। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপে থাকা ভোক্তাদের ওপর নতুন করে আর্থিক চাপ বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিদ্যুতের এ দাম বৃদ্ধির সবচেয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে শিল্প খাতে। বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্তে তীব্র ক্ষোভ ও আপত্তি জানিয়েছেন দেশের শিল্প খাতের শীর্ষ উদ্যোক্তারা। তারা বলেছেন, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং ডলারের ঊর্ধ্বগতির কারণে বর্তমানে শিল্প খাত শুধু টিকে থাকার লড়াই করছে। সেই মুহূর্তে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হলো। এতে করে পণ্যের উৎপাদন ব্যয় আকাশচুম্বী হবে উল্লেখ করে পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর পরিচালক ফয়সাল সামাদ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, এতে করে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় পণ্যের রপ্তানি প্রতিযোগিতা মারাত্মকভাবে কমে যাবে। বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্যের বাড়তি ব্যয় আদায় করা মুশকিল হয়ে পড়বে। সব মিলিয়ে এ খাতটিতে সংকট তৈরি হবে বলে মনে করেন তিনি।

বিদ্যুতের দাম বাড়ায় প্রভাব পড়বে স্টিল উৎপাদন খাতেও। বাংলাদেশ স্টিল ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের  (বিএসএমএ) নেতারা বলছেন, ভারী শিল্প বিশেষ করে স্টিল মিলগুলোকে সচল রাখতে কোনো অবস্থাতেই বিদ্যুতের দাম বাড়ানো ঠিক হবে না। বিদ্যুৎ কেন্দ্রের অলস বসে থাকার পেছনে যে বিপুল পরিমাণ ক্যাপাসিটি চার্জ দিতে হচ্ছে, তা ধাপে ধাপে পুরোপুরি প্রত্যাহার না করে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো কোনো যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নয়। ব্যবসায়ী সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, দেশের শিল্প খাতকে যদি এই সংকটে টিকিয়ে রাখা না যায়, তবে কর্মসংস্থান হ্রাস পাবে, নতুন বিনিয়োগ থমকে যাবে এবং দেশের সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্যে ধস নামবে। তাই বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধির এ সিদ্ধান্ত বর্তমান সামগ্রিক অর্থনৈতিক বাস্তবতা ও শিল্পের সক্ষমতায় তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কনজ্যুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ¦ালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নিয়ন্ত্রক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিইআরসি তার আইনি দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে পারেনি। বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার নির্ধারণের মধ্য দিয়ে কমিশনের সেই ব্যর্থতা আবারও প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন, বিইআরসিতে দীর্ঘ প্রায় দেড় দশক ধরে তিনি জনস্বার্থে গণশুনানিতে অংশ নিয়েছি। এর অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আদর্শ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে গড়ে তোলা এবং দেশে রেগুলেটরি সংস্কৃতির বিকাশ ঘটানো। কিন্তু সংস্থাটি কখনো সরকারের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। বাজেটের ঠিক আগে আগে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর এ ঘোষণা বাজারে তীব্র নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এতে করে মূল্যস্ফীতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে কেউ বলতে পারবে না।

এর আগে সবশেষ ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি নির্বাহী আদেশে গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম সাড়ে ৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছিল। তখন পাইকারিতে ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।

প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার : বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে জানিয়েছে, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিনÑ জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে। বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।