× UCB Sticker Card
সোমবার, ০৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৪:৫৫ এএম

বললেন আইনমন্ত্রী

৬ কার্যদিবসে এ মামলার বিচার দেশের ইতিহাসে নজিরবিহীন

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬, ০৪:৫৫ এএম

৬ কার্যদিবসে এ মামলার  বিচার দেশের  ইতিহাসে নজিরবিহীন

রাজধানীর পল্লবীর আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার বিচার মাত্র ছয় কার্যদিবসে সম্পন্ন হওয়াকে দেশের বিচারিক ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেছেন, এমন নৃশংস ও বেদনাদায়ক ঘটনার বিচার এত অল্প সময়ে সম্পন্ন হওয়ার নজির বাংলাদেশে আগে দেখা যায়নি।

গতকাল রোববার সকালে রায়ের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এবং বিকেলে জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপ সম্পন্ন করে কার্যত ছয় কার্যদিবসের মধ্যে মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে। এ রায়ে সরকার সন্তুষ্ট এবং আশা করছে উচ্চ আদালতেও তা বহাল থাকবে। তিনি বলেন, নিহত শিশুকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়, তবে দ্রুততম সময়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখিয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ঘটনার পরপরই মামলাটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুত তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির সহযোগিতায় শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালকে অবকাশকালীন ছুটির আওতার বাইরে রাখা হয়, ফলে বিচারকাজ নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, পুলিশ মাত্র আট ঘণ্টার মধ্যে দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে এবং পাঁচ দিনের মাথায় তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করে। পরে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আসামিদের জন্য আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়, যাতে বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।

আইনমন্ত্রী জানান, ১ জুন অভিযোগ গঠন, ২ জুন ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ, ৩ জুন আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানি এবং ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপন সম্পন্ন হয়। সাপ্তাহিক ছুটি শেষে ৭ জুন আদালত রায় ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, এই বিচার দ্রুত সম্পন্ন করা সরকারের একার কৃতিত্ব নয়। তদন্তকারী সংস্থা, প্রসিকিউশন, আদালত এবং বিচার বিভাগের সংশ্লিষ্ট সবাই নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশেষ করে প্রধান বিচারপতির সহযোগিতা ছাড়া এ গতি অর্জন সম্ভব হতো না।

জাতীয় সংসদে দেওয়া বিবৃতিতে আইনমন্ত্রী চীনের বিপ্লবী নেতা মাও সে তুংয়ের একটি বিখ্যাত উক্তি উল্লেখ করে বলেন, কোনো কোনো মৃত্যু থাই পাহাড়ের মতো ভারী, আবার কোনো কোনো মৃত্যু পাখির পালকের মতো হালকা। রামিসার হত্যাকা- আমাদের কাছে থাই পাহাড়ের মতো ভারী হয়ে আছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনা পুরো জাতির বিবেককে নাড়া দিয়েছে। তবে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার মাধ্যমে রাষ্ট্র ভুক্তভোগী পরিবারের হারানো আস্থা ফিরিয়ে দিতে পেরেছে। একসময় রামিসার বাবা বিচারব্যবস্থার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলেছিলেন। আজ তিনি নিজেই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এটিই সরকারের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তিনি নিজে ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে দেখা করে দ্রুত বিচারের আশ^াস দিয়েছিলেন। আদালতের রায়ের মাধ্যমে সেই প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন হয়েছে। রায়ের পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ডেথ রেফারেন্স ও আপিল প্রক্রিয়া অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি করা গেলে আগামী তিন মাসের মধ্যেই মৃত্যুদ- কার্যকর করা সম্ভব হতে পারে। এ বিষয়ে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!