ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬

অদৃশ্য শেকলে ‘জুলাই সনদ’

আশ্বাস নয়, অধিকার চান যোদ্ধারা

রুবেল রহমান
প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২৬, ০৬:০০ এএম

জুলাই নিয়ে নানামুখী টানাপোড়েনে উদ্বেগ বাড়ছে জুলাইযোদ্ধাদের মধ্যে। বাড়ছে হতাশাও। যদিও জুলাই গণঅভ্যুত্থান এবং জুলাই সনদের প্রতি বিএনপির সম্পূর্ণ সমর্থন রয়েছে বলেই জানিয়েছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। একই সঙ্গে এই সনদের প্রতিটি শর্ত বাস্তবায়নে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেও জানানো হয়েছে।

দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছেন যে, সরকার ক্ষমতায় থেকে ‘জুলাই সনদে’র প্রতিটি ধারা সংসদে পাস করতে চায় এবং কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। তবে এই সনদ বাস্তবায়নে ধীরগতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি জড়িতরা। যদিও ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের পর পার হয়ে গেছে বেশ কিছু সময়। যে তরুণ ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে দেশের এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল, সেই ‘জুলাইযোদ্ধা’ এবং শহিদ পরিবারের বড় একটি অংশ এখনো সুনির্দিষ্ট পুনর্বাসন ও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির জন্য অপেক্ষা করছে। ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা, রাজনৈতিক টানাপোড়েন এবং সমন্বয়হীনতার কারণে গতি থমকে আছে। এমন পরিস্থিতিতে জুলাইযোদ্ধাদের মনে বাড়ছে আক্ষেপ ও ক্ষোভ। অন্যদিকে, রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো এই সনদ বাস্তবায়ন ও যোদ্ধাদের পুনর্বাসনে কী ভাবছে, তা নিয়ে চলছে নানামুখী তৎপরতা।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, জুলাইয়ে ভর করে রাষ্ট্রক্ষমতায় এলেও বিএনপি জুলাইকে ধারণ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। সেটা তারা মুখে না বললেও কাজে তা প্রমাণ করছে। যদিও বিএনপি বলছে, একটি দল মুক্তিযুদ্ধকে ব্যবহার করে চেতনার ফেরিওয়ালা হয়ে সেটিকে তিক্ত করেছে। এখন আরেকটি দল জুলাই ফেরি করে বেড়াচ্ছে। বাড়াবাড়ি কোনো কিছুই ভালো না। তাতে করে মানুষের মাঝে বিরক্তি বাড়ে। আর জুলাই কারো একার সম্পত্তি নয়। সবার অবদান আছে এই জুলাইয়ে।

জুলাইযোদ্ধাদের আক্ষেপÑ ‘আশ্বাস অনেক পেয়েছি, অধিকার নয়’ : গণঅভ্যুত্থানে গুলিবিদ্ধ হয়ে পঙ্গুত্ববরণ করা মোহাম্মদপুর এলাকার তরুণ রায়হান হোসেন (ছদ্মনাম) আক্ষেপ করে বলেন, ‘হাসপাতালে যখন ছিলাম, তখন কত নেতা, কত বড় বড় কর্মকর্তা এসে ছবি তুলে গেলেন। প্রত্যেকেই বললেন, সব দায়িত্ব রাষ্ট্রের। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর এখন প্রতি মাসের ওষুধের খরচ চালাতেই আমার পরিবার হিমশিম খাচ্ছে। আমরা তো দয়া চাইনি, আমরা চেয়েছিলাম রাষ্ট্রের কাছ থেকে যথাযথ সম্মান ও স্থায়ী পুনর্বাসন।’ অনুরূপ আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন আন্দোলনে নিহত এক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মা-ও। তিনি বলেন, ‘আমার ছেলে দেশের জন্য প্রাণ দিল, কিন্তু এখন পর্যন্ত শহিদদের একটি পূর্ণাঙ্গ এবং নির্ভুল তালিকা প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। এর চেয়ে বড় আক্ষেপ আর কী হতে পারে?’

জুলাইযোদ্ধাদের প্রধান আক্ষেপগুলো হলোÑ আহতদের একাংশের উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনো বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া ঝুলে থাকা, অনেকের দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না হওয়া এবং সমাজের একটি অংশের কাছে তাদের রাজনৈতিকভাবে ট্যাগিং করার চেষ্টা। জুলাই ব্যবহার করে অনেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা। যারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের খোঁজ রাখে না কেউ। আহতরা চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

মন্ত্রণালয় কী ভাবছে? অগ্রাধিকার ও বাস্তব পদক্ষেপ : জুলাইযোদ্ধাদের এই আক্ষেপ এবং দাবির মুখে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো (বিশেষ করে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বা অন্তর্বর্তীকালীন বিশেষ সেল) কিছু সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে বলে জানা গেছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, সরকার জুলাইযোদ্ধাদের জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো নেওয়ার কথা ভাবছে : আন্দোলনকালীন নিহত ও আহতদের একটি চূড়ান্ত, প্রশ্নাতীত এবং স্বচ্ছ ডাটাবেস বা তালিকা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। বিতর্ক এড়াতে প্রতিটি জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে তথ্য যাচাই করা হচ্ছে। আহতদের বিনা মূল্যে আজীবন চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে একটি স্থায়ী আইনি কাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া চলছে। গুরুতর আহতদের রাষ্ট্রীয় খরচে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর প্রক্রিয়াও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে। জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের ‘জাতীয় বীর’ এবং আহতদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি শহিদ পরিবার এককালীন ৩০ লাখ টাকা আর্থিক সহায়তা পাচ্ছে। এর পাশাপাশি প্রতিটি পরিবারকে আজীবন মাসিক ২০ হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়ার ঘোষণা হয়েছে। চলতি অর্থবছরে বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। শহিদ পরিবারের কর্মক্ষম সদস্যদের সরকারি ও আধাসরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। ঐতিহাসিক এই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি চিরস্মরণীয় করে রাখতে পরিবারগুলোকে বিশেষ ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ প্রদান করা হয়েছে।

সরকারের অবস্থানÑ ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার : দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি এই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করতে এবং ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে সম্পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট করেছে যে, তারা এই সনদের প্রতিটি শর্ত অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অত্যন্ত জোরালো ভাষায় বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।’ তারেক রহমান বলেছেন, রাষ্ট্র তার যথাসাধ্য দিয়ে জুলাইযোদ্ধাদের মূল্যায়নের চেষ্টা করবে, তাদের আত্মত্যাগকে মূল্যায়ন করবে। একই সঙ্গে আত্মত্যাগকে যেমন মূল্যায়ন করবে, তাদের বিরুদ্ধে যে অন্যায় হয়েছে, যেভাবে আপনজনকে হত্যা করা হয়েছে, অবশ্যই তার জন্য দায়ীদের বিচার হবে এই দেশের আইনে।’ দলটি সরকারের অংশ হিসেবে বা ক্ষমতার কাঠামোয় থেকে ‘জুলাই সনদে’র প্রতিটি ধারা সংসদে পাস করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যাতে করে এটি একটি স্থায়ী আইনি দলিলে পরিণত হয় এবং ভবিষ্যতের কোনো সরকার একে বাতিল করতে না পারে। এ ছাড়া ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ নামক সামাজিক সংগঠনের মাধ্যমে দলগতভাবেও আহত ও শহিদ পরিবারগুলোর পাশে আর্থিক ও মানসিক সহায়তা নিয়ে দাঁড়াচ্ছে বিএনপি।

সনদ বাস্তবায়নে প্রতিবন্ধকতা কোথায়? : রাজনৈতিক ইচ্ছা এবং মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা থাকা সত্ত্বেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথে বেশ কিছু বড় প্রতিবন্ধকতা দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষক এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিবন্ধকতাগুলো হলোÑ

আমলাতান্ত্রিক লালফিতার দৌরাত্ম্য : যেকোনো বড় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা একটি প্রধান বাধা। আহতদের ফাইল ছাড় করা, তালিকা যাচাইকরণ এবং আর্থিক অনুদান পৌঁছানোর ধীরগতি ভুক্তভোগীদের মধ্যে হতাশা বাড়াচ্ছে।

সমন্বয়হীনতা : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে কাজের সুনির্দিষ্ট সমন্বয়ের অভাব লক্ষ্য করা গেছে। এক মন্ত্রণালয় থেকে অন্য মন্ত্রণালয়ে ফাইল চালাচালি করতেই মাসের পর মাস সময় কেটে যাচ্ছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিশৃঙ্খলা : দেশের একটি গোষ্ঠী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে ম্লান করতে এবং একে বিতর্কিত করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সরকারের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সনদ বাস্তবায়নের গতিকে মন্থর করছে।

আর্থিক সংস্থান ও আইনি জটিলতা : আহতদের আজীবন পুনর্বাসন এবং চিকিৎসার জন্য যে বিশাল বাজেটের প্রয়োজন, তা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে কীভাবে স্থায়ীভাবে বরাদ্দ দেওয়া হবে, সেটির একটি স্থায়ী আইনি ও অর্থনৈতিক কাঠামো তৈরি করা বড় চ্যালেঞ্জ।

আইনি বিচার প্রক্রিয়া : প্রতিশোধ নয়, স্বচ্ছতা : জুলাইযোদ্ধাদের আরেকটি বড় দাবি ছিল খুনিদের বিচার। এ বিষয়ে বিএনপি এবং বর্তমান প্রশাসন একমত যে, প্রতিটি হত্যার বিচার এ দেশের মাটিতেই হতে হবে। তবে সরকার কোনো ধরনের ‘প্রতিশোধমূলক বা মব জাস্টিস’ (আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া) সমর্থন করে না। সম্পূর্ণ স্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া বজায় রেখে, যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের আদালতের মুখোমুখি করার পক্ষে সরকার ও দল দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। 

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন : আলাদা মন্ত্রণালয় না হলেও সরকার ইতিমধ্যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’ গঠন করেছে। এই অধিদপ্তরের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদ পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের কল্যাণ, পুনর্বাসন ও আইনি সুবিধা নিশ্চিত করার কার্যক্রম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া ইতিমধ্যেই ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন আইন, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

এর আগে জাতীয় সংসদে এবং সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জুলাইযোদ্ধাদের বিষয়ে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত যোদ্ধাদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা, পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান এবং মাসিক সম্মানি ভাতার বিষয়ে সরকারের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। গুরুতর আহত যোদ্ধাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, তুরস্ক, রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠানো হয়েছে এবং এই প্রক্রিয়া চলমান। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন জানিয়েছেন, জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি রক্ষার্থে এবং শহিদদের স্মরণে বিভিন্ন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। যেমন- ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এবং ১৬ জুলাইকে ‘জুলাই শহিদ দিবস’ হিসেবে পালন করার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হচ্ছে।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জুলাইযোদ্ধাদের নিয়ে কাজ করছে সরকার। একটি দল দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা করতে আজেবাজে কথা বলে আহত-নিহতদের পরিবারকে বিচলিত করার চেষ্টা করছে। আমাদের সরকার জুলাই আন্দোলনে জড়িতদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন করবে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, জুলাই আন্দোলনে যাদের রক্ত ঝরেছে তাদের মূল্যায়ন চাইবে, এটা দোষের কিছু না। সরকারের উচিত সময়ক্ষেপণ না করে দ্রুত তাদের প্রাপ্য বুঝিয়ে দেওয়া। পতিত স্বৈরাচার দেশের অর্থনীতি  একেবারে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে এটা ঠিক। সরকারও নতুন এসেছে, তাদের গুছিয়ে উঠতে সময় লাগবে। সেই সময়টা সরকারকে দেওয়া উচিত।