মেয়াদ শেষের আগেই কি বঙ্গভবনের পাট চুকিয়ে ফেলছেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন? রাজধানীর রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে প্রশাসনিক পাওয়ার করিডরে এখন এই একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দিনভর রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন ছিল সামাজিক যোগযোগমাধ্যম থেকে গণমাধ্যমজুড়ে। একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, শারীরিক অসুস্থতা ও মানসিক চাপকে কারণ দেখিয়ে খুব শিগগিরই পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে যাচ্ছেন তিনি। সেটা আজ-কাল বা যেকোনো সময় হতে পারে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। এর মধ্য দিয়েই মূলত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলের শেষ প্রাতিষ্ঠানিক ‘লিগাসি’র সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। আর তা হলে বর্তমান সরকারের জন্য আগামী দিনে একটি দুশ্চিন্তামুক্ত ও স্বস্তিকর রাজনৈতিক পরিবেশ তৈরি করবে বলেও মনে করছেন তারা।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো একটি পোস্ট দিয়ে যে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছিল, বঙ্গভবন সংশ্লিষ্টদের কথায় এখন তা সত্যি হওয়ার পথেই। রাষ্ট্রপতির দপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা ও তার ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। তবে সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকারের অনুপস্থিতির কারণে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি কেবল পিছিয়ে যাচ্ছে।
কেন থমকে আছে পদত্যাগপত্র জমা? : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৫০(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতিকে পদত্যাগ করতে হলে স্পিকারের উদ্দেশ্যে নিজ স্বাক্ষরযুক্ত পত্র পাঠাতে হয়। কিন্তু সংসদ সচিবালয় সূত্র জানিয়েছে, চিকিৎসার জন্য গত ১৯ জুলাই থাইল্যান্ডে গেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী তার আগামী ২৬ জুলাই দেশে ফেরার কথা থাকলেও পদত্যাগের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির কারণে নির্ধারিত সময়ের আগেই তিনি ঢাকায় ফিরতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে। রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব মো. নূরুল আমীন গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের বলেন, ‘পদত্যাগপত্রে এখনো মহামান্য স্বাক্ষর করেননি। তিনি পদত্যাগ করলে আনুষ্ঠানিকভাবে সবাইকে জানানো হবে।’ তবে বঙ্গভবনের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বর্তমান আইনি জটিলতা তুলে ধরে বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, সেটা স্বাস্থ্যগত কারণেই হোক আর মানসিক কারণেই হোক। কিন্তু পদত্যাগপত্র যার কাছে জমা দিতে হবে, সেই স্পিকার নিজেই বর্তমানে দেশে নেই। ফলে চাইলেও এখনই পদত্যাগ করার কোনো সুযোগ নেই। গুঞ্জন ধরে তো আর প্রশাসন চলে না।’ রাষ্ট্রপতির ঘনিষ্ঠ একজন কর্মকর্তা জানান, মহামান্য তার দপ্তর ও অনুসারীদের ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেন, স্পিকার দেশে ফিরলেই দু-এক দিনের মধ্যে তিনি বঙ্গভবনের পাট চুকিয়ে ফেলতে পারেন।
বিএনপির সবুজ সংকেত : রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, এই পরিবর্তনের হাওয়া আকস্মিক নয়। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত মো. সাহাবুদ্দিনকে সসম্মানে বিদায় নেওয়ার বিষয়ে ক্ষমতাসীন বিএনপি সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে ইতোমধ্যে বার্তা দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতির কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত একটি সূত্র জানায়, পদত্যাগের বিষয়টি এখন শুধুই সময়ের ব্যাপার। কেন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি তার কারণ হিসেবে জানা যায়, পতিত স্বৈরশাসকের কেন্দ্রে যিনি ছিলেন, সেই শেখ হাসিনার সঙ্গে ফোনালাপের তথ্য রয়েছে গোয়েন্দাদের হাতে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই তার স্থায়িত্ব নিয়ে টানাপোড়েন চলছিল। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনকারীরা বঙ্গভবন ঘেরাও করে তার অপসারণ দাবি করলেও তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সাংবিধানিক শূন্যতা এড়াতে তাকে বহাল রেখেছিল। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় রাষ্ট্রপতি নিজেও মেয়াদের মাঝামাঝি পদে থাকার অনিচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি এক সাক্ষাৎকারে বিএনপি সরকারের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘সরকার চাইলে আমি দায়িত্ব পালন করব, আর না চাইলে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করব।’ বিএনপি সরকার ক্ষমতার ৯০ দিন পার করার পর এখন নীতিগত সামঞ্জস্যের স্বার্থেই তার বিদায় সুনিশ্চিত করা হচ্ছে বলেই শোনা যাচ্ছে।
‘গুঞ্জন তো গুঞ্জনই’: সরকারের সাবধানী অবস্থান : রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ ঘিরে তোড়জোড় চললেও সরকারের তরফ থেকে কৌশলগত সতর্কতা রক্ষা করা হচ্ছে। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী স্বাস্থ্যগত বা অন্য কোনো কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতেই পারেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। আপনারা গণমাধ্যমে গুঞ্জনের কথা যেভাবে দেখছেন, আমরাও সেভাবে শুনছি। গুঞ্জন তো গুঞ্জনই। কোনো ঘটনা ঘটলে তখন সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ বিষয়ে সরাসরি মহামান্যকেই প্রশ্ন করা শ্রেয়।’
পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে? : রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিদায়ের খবরের পরপরই ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে কার নাম আসছে, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য তালিকায় রয়েছেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে শীর্ষ আমলা। আলজাজিরার অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়েরের এক ফেসবুক পোস্টের পর আলোচনায় উঠে এসেছে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির নাম। রাজনীতিতে বড় কোনো চমক না থাকলে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে চুক্তিভিত্তিক দায়িত্বে থাকা এই শীর্ষ কর্মকর্তা নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে পছন্দের তালিকায় শীর্ষে আছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে বিএনপির একটি পক্ষ বিরোধিতায় নেমেছে নাসিমুল গণির। ফলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার বিষয়টি তার স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।
রাষ্ট্রপতির দৌড়ে বিএনপির হেভিওয়েট নেতারা : বিএনপির নীতিনির্ধারণী মহল থেকে দলের স্থায়ী কমিটির দুই প্রবীণ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ও ড. আব্দুল মঈন খানের নাম ব্যাপকভাবে আলোচিত। নিজের নাম আলোচনায় থাকা নিয়ে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে অবগত নই। রাষ্ট্রপতির পদ খালি হলে অনেকের নাম আসাই স্বাভাবিক। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দলীয় হাইকমান্ড ও জাতীয় সংসদের ওপরই নির্ভর করে।’
মির্জা ফখরুলকে নিয়ে নতুন সমীকরণ : রাজনীতির অন্দরমহলের অপর এক গুঞ্জন বলছে, বিএনপি মহাসচিব ও বর্তমান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামও আলোচনায় রয়েছে। একই মন্ত্রণালয়ের অপর প্রভাবশালী মন্ত্রী মীর শাহে আলমের প্রভাবে প্রবীণ এই নেতা কাজের ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন না বলে গুঞ্জন রয়েছে। ফলে তিনি সরকারের এই দপ্তর ছেড়ে সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ রাষ্ট্রপতির আসনে বসতে পারেন বলেও গুঞ্জন রয়েছে।
প্রস্তুত ইসি, পদ শূন্য হলেই শুরু হবে নির্বাচন প্রক্রিয়া : মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর পূর্বেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ভোট আয়োজনে প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এক্ষেত্রে পদ শূন্য হওয়ার পরপরই সংস্থাটি প্রক্রিয়া শুরু করবে। জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ রূপালী বাংলাদেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে বা পদটি শূন্য হলে নির্বাচন কমিশনের ভোট আয়োজনের জন্য প্রস্তুতি রাখতেই হবে। এক্ষেত্রে পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রক্রিয়া শুরু হবে। আর নির্বাচন করতে হবে ৯০ দিনের মধ্যে। ২০২৩ সালে তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মনোনয়নে মো. সাহাবুদ্দিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এরপর ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন তিনি। সময়ের হিসাবে প্রায় তিন বছর তিন মাস ধরে এই পদে রয়েছেন তিনি। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ২০২৮ সালের এপ্রিলে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রপতিরও অপসারণ চেয়েছিলেন। কিন্তু ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করলেও এই পদে পরিবর্তন আসেনি। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য গত ৯ মে লন্ডনে যান রাষ্ট্রপতি। চিকিৎসা শেষে ১৮ মে দেশে ফিরে আসেন তিনি। লন্ডনে থাকাবস্থায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তিনি ফোনালাপ করেছেন বলে সম্প্রতি গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে গতকাল বৃহস্পতিবার তার পদত্যাগের বিষয়টি বেশ জোরেশোরেই আলোচনায় আসে। এরই মধ্যে জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের গুঞ্জন শুরু হওয়ায় বিদেশে চিকিৎসাসফর সংক্ষিপ্ত করে আজ শুক্রবার দেশে ফিরছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। গত ১৯ জুলাই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে থাইল্যান্ডের ব্যাংককে যান স্পিকার। পূর্বনির্ধারিত সফরসূচি অনুযায়ী আগামী ২৬ জুলাই তার দেশে ফেরার কথা ছিল।
স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজের নতুন রেকর্ড : সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। ফলে মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গৃহীত হওয়ার পর স্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত বীর বিক্রম মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ হবেন দেশের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি। এর মাধ্যমে মেজর (অব.) হাফিজের দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে নতুন এক অনন্য পালক যুক্ত হচ্ছে। বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রথমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী, এরপর স্পিকার এবং এখন সাংবিধানিক নিয়মে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপ্রধানের আসন- সংক্ষিপ্ত সময়ে এমন তিন মেয়াদে ভূমিকা রাখার ঘটনা রাজনীতিতে বিরল।
মো. সাহাবুদ্দিনের বঙ্গভবনকাল : ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগ সরকারের একতরফা সমর্থনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হন সাবেক বিচারক ও দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী তার মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত প্রসারিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু গণঅভ্যুত্থান, পরবর্তীতে বিএনপি সরকারের সঙ্গে নীতিগত জায়গায় দূরত্ব তৈরি হওয়ায় পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগেই তাকে বিদায় নিতে হচ্ছে। সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এই নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই অনুষ্ঠিত হবে। ফলে বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন গঠনসহ রাষ্ট্রের অভিভাবক হিসেবে এই পদে দলীয় আস্থার ও অনুগত কাউকে বসানোই সরকারের মূল লক্ষ্য। এখন সবার নজর স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের ব্যাংকক থেকে দেশে ফেরার দিকে। তিনি ঢাকায় নামলেই বঙ্গভবনের নাটকের আনুষ্ঠানিক যবনিকাপাত ঘটবে এবং উন্মোচিত হবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির নাম।

