× UCB Sticker Card
শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

ফুসফুসে পানি জমলে অবহেলা করলেই বড় বিপদ

রূপালী ডেস্ক

প্রকাশিত: জুন ৫, ২০২৬, ০৫:৪২ এএম

ফুসফুসে পানি জমলে  অবহেলা করলেই  বড় বিপদ

ফুসফুসের বায়ুথলিতে অতিরিক্ত তরল বা পানি জমা হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘পালমোনারি এডিমা’ নামে পরিচিত। ফুসফুসে পানি জমলে ফুসফুস শরীর ও রক্তে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে না। ফলে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে এই রোগের লক্ষণগুলো চিনে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে এটি রোগীর জীবনের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।

ফুসফুসে পানি জমার প্রধান লক্ষণ হলো তীব্র শ্বাসকষ্ট, যা বিশেষ করে কোনো শারীরিক পরিশ্রমের সময় বা রাতে সোজা হয়ে শুয়ে থাকলে অনেক বেড়ে যায়। এর সঙ্গে শরীর প্রচ- ক্লান্ত ও অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়ে, কারণ সামান্য শ্বাস নেওয়ার জন্যও শরীরকে অতিরিক্ত শক্তি খরচ করতে হয়। ফুসফুসে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দেওয়ায় রোগী বিশ্রামে থাকা অবস্থায়ও খুব দ্রুত শ্বাস নিতে শুরু করে। অনেক সময় শ্বাস নেওয়ার সময় বুক থেকে একধরনের শিস দেওয়ার মতো শব্দ হয় এবং বুকে ভারী চাপ বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। এই রোগের সবচেয়ে আশঙ্কাজনক লক্ষণ হলো কাশির সঙ্গে গোলাপি রঙের ফেনাযুক্ত কফ বা থুতু বের হওয়া। এ ছাড়া শরীরে অতিরিক্ত পানি জমার কারণে হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়া, পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া এবং তীব্র শ্বাসকষ্টের কারণে প্রচ- মানসিক অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।

অনেকে একে নিউমোনিয়ার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তবে নিউমোনিয়া হলো একটি সংক্রামক ফুসফুসের ইনফেকশন, যা জ¦র ও পুঁজযুক্ত কাশির সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, পালমোনারি এডিমা মূলত হৃদরোগ বা হার্ট ফেইলিওরের কারণে হয়, যেখানে হৃৎপি- সঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারায় তরল পদার্থ ফুসফুসে গিয়ে জমা হয়। এ ছাড়া কিডনির রোগ, গুরুতর সংক্রমণ বা সেপসিস ও বিষাক্ত ধোঁয়ার সংস্পর্শে আসার কারণেও এই সমস্যা হতে পারে।

চিাকৎসকেরা সাধারণত বুকের এক্স-রে, ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে এই রোগ নির্ণয় করেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত স্বস্তি দিতে অক্সিজেন থেরাপি এবং শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল বের করার জন্য মূত্রবর্ধক বা ওয়াটার পিল-জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয়। এই রোগ থেকে বাঁচতে হৃদরোগ ও কিডনি রোগীদের নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। পাশাপাশি খাবারে লবণের পরিমাণ কমানো, সুষম খাদ্য গ্রহণ এবং ধূমপান বর্জন করা জরুরি। হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট বা কাশির সঙ্গে গোলাপি ফেনা দেখা দিলে একমুহূর্ত দেরি না করে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!