ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই, ২০২৬

ডেঙ্গুতে আরও ৩ মৃত্যু হাসপাতালে ২৫১ জন

রূপালী প্রতিবেদক
প্রকাশিত: জুলাই ৯, ২০২৬, ০৬:৫৫ এএম

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ২৫১ জন ডেঙ্গু রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল র”ম প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যে এই তথ্য জানা গেছে। এ নিয়ে দেশে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া এবং সন্দেহভাজন হামে আক্রান্ত হয়ে মোট প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪৫ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল র”ম প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা মহানগরে (উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন) ৫৭ জন, ঢাকা বিভাগের (মহানগরের বাইরে) ১৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৪০ জন, খুলনা বিভাগে ৪০ জন, রাজশাহী বিভাগে ১২ জন, বরিশাল বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ২ জন রয়েছেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৭ হাজার ৫৫৭ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৬ হাজার ৮৭৫ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৬৬০ জন। এ বছরের মধ্যে জুন মাসেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ওই মাসে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ২ হাজার ৯০৭ জন।

হামের উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নতুন তিনজনের মৃত্যুর পর এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে সন্দেহভাজন মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৫২। অন্যদিকে, ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামজনিত মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত ৯৩। ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে নতুন করে ৭৯৬ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী শনাক্ত হয়েছে। ফলে সারা দেশে সন্দেহভাজন মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ১৮০। একই সময়ে নতুন করে ১০৬ জনের শরীরে ল্যাবরেটরিতে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়া গেছে। ফলে দেশে ল্যাব-নিশ্চিত মোট আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৩ হাজার ৭০।

অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান থেকে আরও জানা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত সারা দেশে মোট ৯১ হাজার ২৭০ জন সন্দেহভাজন হামের রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৭ হাজার ৬২৮ জন।