রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানার কাদেরাবাদ হাউজিং এলাকায় পুলিশের এক উপ-পরিদর্শককে (এসআই) ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে গেছে এক দুর্বৃত্ত। ‘পূর্বশত্রুতার জেরে’ এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে ভাষ্য মোহাম্মদপুর পুলিশের, আহতের পিঠে ৪৩টি সেলাই লেগেছে। এ ঘটনায় গুরুতর আহত এসআইয়ের নাম মো. ওসমান গনি। তিনি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ইমিগ্রেশনে কর্মরত। বর্তমানে তিনি শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। ছুরিকাহতে তার শরীরের পেছনের অংশে ক্ষত হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার ইবনে মিজান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোহাম্মদপুর থানার কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের সি ব্লকের, ৪ নম্বর রোডে নিজ বাসার কাছে এ ঘটনা ঘটে। পূর্বশত্রুতার জেরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছি।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে স্ত্রী তানজিনা সীমা ও একমাত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কাঁচাবাজার শেষে বাসায় ফিরছিলেন এসআই ওসমান গনি। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত এক দুর্বৃত্ত তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতের পর আহত পুলিশ সদস্য হামলাকারীকে ধাওয়া করলেও আটক করতে পারেননি। আহত অবস্থায় স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন ওসমান গনি। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য শহিদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এসআই ওসমান গনির পিঠে অন্তত ৪৩টি সেলাই লেগেছে। তার পুরো পিঠজুড়েই ক্ষত তৈরি হয়েছে।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের (মোহাম্মদপুর-আদাবর জোন) সহকারী কমিশনার (এসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এটি ছিনতাইয়ের ‘ঘটনা নয়’। ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে, এটি পূর্বশত্রুতার জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে। জড়িত হামলাকারীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। আহত ওই পুলিশের বরাত দিয়ে এসি মামুন আরও বলেন, প্রত্যক্ষদর্শী ও থানার একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে কাঁচাবাজার শেষে বাসায় ফিরছিলেন এসআই ওসমান গনি। এ সময় পেছন থেকে অজ্ঞাত এক দুর্বৃত্ত তার পিঠে ছুরিকাঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যায়। ছুরিকাঘাতের পর আহত পুলিশ সদস্য হামলাকারীকে ধাওয়া করলেও তাকে আটক করতে পারেননি। ঘটনার কারণ সম্পর্কে পুলিশের এসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলছেন, ভুক্তভোগীর ধারণা ‘পূর্বশত্রুতার জের ধরে’ কেউ এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

