× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:৪০ এএম

টাকা দিয়েও নিখোঁজ ২ জন

৭ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন ১৮ বনজীবী

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মে ১৩, ২০২৬, ০৬:৪০ এএম

৭ লাখ টাকা মুক্তিপণে ফিরলেন ১৮ বনজীবী

সুন্দরবনের জলদস্যুদের হাতে অপহৃত ২০ জন জেলে ও মৌয়ালের মধ্যে ১৮ জন মুক্তিপণ দিয়ে দীর্ঘ জিম্মিদশা থেকে বাড়ি ফিরেছেন। গত সোমবার বিকেল পর্যন্ত ধাপে ধাপে তারা সাতক্ষীরা রেঞ্জের নিজ নিজ এলাকায় ফিরে আসেন। তবে মুক্তিপণের টাকা পরিশোধের পরও এখনো দুই জেলের হদিস না মেলায় তাদের পরিবারে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। বনজীবীদের যাতায়াতের পথে এই অপহরণের ঘটনা পুরো উপকূলে আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

জানা যায়, গত ৪ ও ৫ মে সুন্দরবনের চুনকুড়ি, ধানোখালী ও মালঞ্চ নদীর বিভিন্ন এলাকা থেকে ‘আলিফ বাহিনী’ ও ‘নানাভাই বাহিনী’ পরিচয়ে অস্ত্রধারী দস্যুরা বনজীবীদের অপহরণ করে। ফিরে আসা জেলেরা জানান, দস্যুরা তাদের গহিন জঙ্গলে আটকে রেখে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করে। পরবর্তীতে মুক্তিপণ হিসেবে বনজীবীপ্রতি ২০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত বিকাশ নম্বরে পাঠিয়ে দস্যুদের সঙ্গে সমঝোতা করা হয়। প্রাপ্ত তথ্যমতে, মোট সাত লক্ষাধিক টাকা মুক্তিপণ গুনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৮ জন।

এদিকে টাকা পাঠানোর পরও এখনো মুক্তি মেলেনি শুকুর আলী গাজী ও রেজাউল করিম নামের দুই জেলের। তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে বনদস্যুদের বিকাশ নম্বরে পাঠানো হলেও এখনো তারা ফিরে আসেননি। এতে পরিবারের সদস্যরা তাদের জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর শঙ্কার মধ্যে রয়েছেন। টাকা পাওয়ার পরও দস্যুরা কেন তাদের আটকে রেখেছে, তা নিয়ে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে।

সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. মশিউর রহমান জানান, জলদস্যু নির্মূলে কোস্টগার্ডের সঙ্গে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তবে অপহৃতদের পরিবারগুলো বিস্তারিত তথ্য দিয়ে বন বিভাগকে যথাযথ সহযোগিতা না করার কারণে দস্যু দমনে বেগ পেতে হচ্ছে। অনেক সময় স্বজনেরা মামলা করতে বা দস্যুদের ফোন নম্বর দিতে ভয় পান, যা অপরাধীদের দমনে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!