× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৫:৪৭ এএম

গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রেস ব্রিফিং

শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি ইতিবাচক

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২৬, ০৫:৪৭ এএম

শিক্ষা খাতে বাজেট  বৃদ্ধি ইতিবাচক

২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ২ শতাংশে উন্নীত করে মোট ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬০৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ছিল ৮৭ হাজার ২০৬ কোটি টাকা এবং জিডিপির ১ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এতে শিক্ষা খাত কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়াবে উল্লেখ করে এটিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। কিন্তু তারা বলছেন বাজেট বাড়লেও শিক্ষা খাতে বরাদ্দের মূল অগ্রাধিকার হতে হবে শিক্ষার্থীদের শেখার বিষয়ের (শিখন) ওপর। তাদের মতে, শিক্ষা খাতে বাজেটের সফলতা বোঝা যাবে শিক্ষার্থীদের শেখার ওপর তা প্রভাব ফেলছে কি না। কারণ, শিক্ষার্থীদের শেখার ক্ষেত্রে এখন বড় ধরনের সংকট চলছে। শেখার ক্ষেত্রে শিখনঘাটতি থাকছে।

গতকাল বুধবার শিক্ষা নিয়ে কাজ করা বেসরকারি সংস্থা গণসাক্ষরতা অভিযানের উদ্যোগে আয়োজিত ‘কেমন হলো শিক্ষা বাজেট : বাস্তবতা ও জনপ্রত্যাশা’ শীর্ষক এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন বক্তারা। জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়নকর্মীরা।

এ সময় শিক্ষা খাতে বরাদ্দকে ইতিবাচক উল্লেখ করে গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, শিখন ফল অর্জনে প্রভাব ফেলবে কি না, সেটাই বড় বিষয়। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পরীক্ষার জন্য আলাদা ফি নেওয়ার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করলেও পরে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদও জানান তিনি।

এ ছাড়া, শিখন ফলের ঘাটতি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণার তথ্য তুলে ধরে বক্তব্য দেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গর্ভন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের (বিআইজিডি) নির্বাহী পরিচালক ইমরান মতিন বলেন, শিক্ষার মানের যে অবস্থা, শিক্ষার্থীরা ঠিকভাবে শিখছে না। একটা ‘লার্নিং ইমার্জেন্সির দিকে যাচ্ছে। এটা দিনে দিনে আরও খারাপ হচ্ছে। তাই বরাদ্দের শুধু পর্যাপ্ততা নয়, বরাদ্দ আসলেই কাজে লাগবে কি লাগবে না, তার একটা বড় মাপকাঠি হবে চলমান ‘শিখনসংকটে’ ওই বরাদ্দ কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার ঠিক করতে হবে। যে খরচ শিখন ফল অর্জনে সরাসরি প্রভাব ফেলতে না পারে, সেটা অগ্রাধিকারের তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে বাজেটে বরাদ্দের নানা দিক বিশ্লেষণ করেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শুধু খরচ বাড়ালেই শিক্ষার গুণগত মান স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃদ্ধি পায় না এবং যে ধরনের শিক্ষা চাওয়া হয়, সেটা নিশ্চিত করতে পারে না। সে কারণেই প্রশ্নটি আসে, অর্থ কীভাবে ব্যয় হবে এবং সুশাসন ইত্যাদি।

সংবাদ সম্মেলনে গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকে শিক্ষার বাজেট বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির উপপরিচলক মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি শিক্ষা খাতের বাজেটের ইতিবাচক দিক, চ্যালেঞ্জ ও বিদ্যমান নানা বিষয় তুলে ধরেন। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ২০৩০ সালের মধ্যে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ শতাংশ এবং জাতীয় বাজেটের ২০ শতাংশে উন্নীত করা, স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনসহ বিভিন্ন রকমের সুপারিশ তুলে ধরেন।

প্রসঙ্গত, আগামী অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বেড়েছে। অবশ্য শুধু শিক্ষাবিষয়ক ২ মন্ত্রণালয়ের জন্য ১ লাখ ২২ হাজার ৪৯৫ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র বলছে, শিক্ষা খাত বলতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ে যে শিক্ষা নিয়ে কাজ করে, সে তথ্যও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!