× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম

বালুচরে মিষ্টি আলু চাষে কৃষকের মুখে হাসি

পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৭:৫৬ এএম

বালুচরে মিষ্টি আলু চাষে  কৃষকের মুখে হাসি

করতোয়া নদীর বুকে জেগে ওঠা বালুচরে আগাম ফসল ফলিয়ে নতুন আশার আলো দেখছেন কৃষকেরা। নদীর পানি কমে যেতেই চাষিরা বালুচরে বীজ ছিটিয়ে শুরু করেন চাষাবাদ, আর মৌসুম এলেই সেই নদীই হয়ে ওঠে তাদের গোলা ও পকেট ভরানোর প্রধান উৎস। বিশেষ করে মিষ্টি আলু চাষে এবার ভালো ফলন ও বাজারদর পেয়ে লাভের মুখ দেখছেন চরাঞ্চলের কৃষকেরা।

রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার চতরা, বড় আলমপুর ও টুকুরিয়া ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া করতোয়া নদীর শত শত বালুচর এখন সবুজ ফসলে ভরে উঠেছে। নদীর পানি নেমে গেলে এসব চরে ধান, পাটসহ নানা ধরনের সবজির পাশাপাশি আগাম জাতের মিষ্টি আলুর চাষ শুরু করেন কৃষকেরা। ফলন ভালো হওয়ায় এবং বাজারে দাম সন্তোষজনক থাকায় চাষাবাদের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে স্থানীয়দের।

এলাকার চাষিরা জানান, নদীর তলদেশ ছাড়া প্রায় সব জায়গায় ফসল চাষ করা হচ্ছে। মিষ্টি আলু, স্থানীয়ভাবে ‘স্যাক আলু’ নামে পরিচিত, এই অঞ্চলে অত্যন্ত জনপ্রিয়। বর্তমানে বিভিন্ন হাটবাজারে মিষ্টি আলুর সরবরাহ বেড়েছে। বিগত কয়েক বছর কিছুটা হতাশা থাকলেও নতুন প্রযুক্তি ও উন্নত জাত ব্যবহারের ফলে চলতি মৌসুমে কৃষকেরা লাভবান হচ্ছেন।

কুয়াতপুর হামিদপুর এলাকার মিষ্টি আলু চাষি মুর্তজা মিয়া বলেন, বন্যার সময় নদীর পলি ও গড়ানি এসে বালুচরের উর্বরতা বাড়িয়ে দেয়। ফলে বালুমাটিতে নানা ধরনের ফসল চাষ করা সম্ভব হয়। বর্গা নেওয়া সাড়ে চার বিঘা জমিতে তিনি মিষ্টি আলুর চাষ করেছেন। দুই সপ্তাহ ধরে ফসল তোলা শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ীরা বালুচর থেকেই প্রতি মণ মিষ্টি আলু ৮০০ টাকায় কিনে নিচ্ছেন। একই জমিতে বছরে দুইবার মিষ্টি আলুর চাষ করা হয় বলেও জানান তিনি।

ঘাষিপুর গ্রামের আরেক চাষি রাজু মিয়া বলেন, একসময় যে বালুচরে কোনো আবাদ হতো না, এখন সেটিই তাদের অর্থের ভান্ডারে পরিণত হয়েছে। বালুর নিচে বপন করা বীজ থেকেই ফসল বেড়ে ওঠে, যা কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, কন্দল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় পীরগঞ্জ উপজেলায় কোকি-১৪, বারি-৭, বারি-৯ ও বারি-১২সহ বিভিন্ন জাতের মিষ্টি আলু প্রায় ১২৫ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। পাশাপাশি টুকুরিয়া ইউনিয়নে একটি নতুন জাতের মিষ্টি আলুর প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে উপজেলার অন্যান্য কৃষকের মধ্যেও সম্প্রসারিত হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুমন আহমেদ জানান, আবহাওয়া কৃষকদের অনুকূলে থাকায় এবার ফলন ভালো হয়েছে। আগাম জাতের মিষ্টি আলু উঠতে শুরু করেছে এবং বাজারে এর চাহিদাও বেশ ভালো।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!