× UCB Sticker Card
শনিবার, ০৪ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৭:০১ এএম

মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে

মতলব উত্তর (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ৪, ২০২৬, ০৭:০১ এএম

মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে কলাবাগানে ফেলে যায় ছেলে

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলায় মা মজিদা বেগমকে শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনায় ঘাতক ছেলে মো. জনিকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ নিহতের ছেলেকেই এই নির্মম হত্যাকা-ের জন্য দায়ী হিসেবে শনাক্ত করেছে। গতকাল শুক্রবার সকালে মতলব উত্তর থানা পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

পুলিশ জানায়, গত ২৫ জুন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন পেয়ে মতলব উত্তর উপজেলার কলাকান্দা ইউনিয়নের হানিরপাড় এলাকার একটি নির্জন কলাবাগান থেকে এক অজ্ঞাত নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন মরদেহটি সেখানে পড়ে থাকায় শিয়াল দেহ বিকৃত করে ফেলেছিল, ফলে প্রাথমিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এই ‘ক্লুলেস’ বা রহস্যময় হত্যাকা-টি সমাধানে পুলিশ সুপার একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেন।

তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তি ও লোকেশন বিশ্লেষণ করে নিহতের ছেলে জনির ওপর সন্দেহ সৃষ্টি হয়। তাকে গ্রেপ্তারের পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে হত্যার দায় স্বীকার করে। জনি পুলিশকে জানায়, সে ঢাকার উত্তরা এলাকায় ফল বিক্রি করে। ছোটবেলা থেকে মায়ের প্রতি তার চরম ক্ষোভ ছিল। তার দাবি, মা একাধিক বিয়ে করায় সে বাবা-মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হয়ে মামার বাড়িতে অবহেলার শিকার হয়েছে। সেই দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকেই সে এই হত্যাকা- ঘটায়।
জনি জানায়, গত ১৭ জুন সে তার মা মজিদা বেগমকে ছেংগারচর বাজার থেকে অটোরিকশাযোগে কলাকান্দা ইউনিয়নের ওই নির্জন কলাবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে কৌশলে কলাবাগানের আইলের মাঝখানে জমে থাকা পানিতে চেপে ধরে শ্বাসরোধে তার মাকে হত্যা করে। হত্যাকা-ের পর মায়ের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি দূরে একটি পুকুরে ফেলে দেয় সে। জনির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ হত্যাকা-ে ব্যবহৃত আলামত ও ওই মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করেছে।

মতলব উত্তর থানার ওসি মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, মরদেহটি এমন অবস্থায় ছিল যে পরিচয় শনাক্ত করাই ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে আমরা খুব অল্প সময়েই রহস্য উদ্ঘাটন করতে পেরেছি।

সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবীর হুসনাইন সানীব বলেন, মামলাটি আমাদের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ ছিল। দিন-রাত পরিশ্রম করে পুলিশের পেশাদারিত্বের মাধ্যমে প্রকৃত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার জনিকে আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!