× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বন্যার ৮ দিন পরও মেলেনি পর্যাপ্ত ত্রাণ

রাজস্থলী (রাঙামাটি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০৭:১৪ এএম

বন্যার ৮ দিন পরও মেলেনি পর্যাপ্ত ত্রাণ

রাঙামাটির বাঘাইছড়ি, বরকল ও বিলাইছড়ি উপজেলায় সাম্প্রতিক ভয়াবহ বন্যা ও পাহাড়ি ঢলের ৮ দিন পার হলেও দুর্গম এলাকার অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এখনো প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা থেকে বঞ্চিত। বিশেষ করে বিলাইছড়ির ফারুয়া এবং বরকলের ছোট ও বড় হরিণা ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ জনপদের মানুষ মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। সরকারিভাবে সীমিত কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় একেবারেই অপ্রতুল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

গত ৬ ও ৯ জুলাইয়ের বন্যায় ফারুয়া বাজারসহ আশপাশের গ্রামগুলো পানিতে তলিয়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ফারুয়া বাজার, গোয়াইনছড়ি, চাইন্দ্যাছড়ি, শুকরছড়ি, এগুজ্যাছড়িসহ বিভিন্ন গ্রামের অন্তত ১২ হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেক বসতঘর ও কৃষিজমি ধুয়েমুছে গেছে। ভুক্তভোগীরা জানান, মন্ত্রী বা সংসদ সদস্যদের আসার কথা থাকলেও দুর্গম এলাকায় এখনো ত্রাণ পৌঁছেনি। গোয়াইনছড়ির কার্বারি নিরোচন্দ্র তঞ্চঙ্গ্যা অভিযোগ করেন, কিছু পরিবার সহায়তা পেলেও পাহাড়ি অঞ্চলের শতাধিক পরিবার এখনো অভুক্ত। তাদের মতে, বিতরণকৃত ত্রাণ একটি পরিবারের জন্য পর্যাপ্ত নয়।

একই করুণ চিত্র দেখা গেছে বরকল উপজেলার ছোট হরিণা ও বড় হরিণা ইউনিয়নে। ভূষণছড়াতে ত্রাণ বিতরণ হলেও হরিণার বাসিন্দাদের অভিযোগ, তারা সরকারি বড় কোনো সহায়তা পাননি। ছোট হরিণার তারেঙ্গ্যাঘাট এলাকার বাসিন্দা সুবিমল চাকমা জানান, সেখানকার প্রায় ২০০ পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও জেলা পরিষদ বা অন্য সংস্থার ত্রাণ সেখানে পৌঁছায়নি। একইভাবে বড় হরিণার শ্রীনগর বাজার, ভাইবোনছড়া ও কুকিছড়া এলাকার অন্তত ১০০ ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ত্রাণের অপেক্ষায় প্রহর গুনছে।

বড় হরিণা ইউপি চেয়ারম্যান নিলাময় চাকমা জানিয়েছেন, তাদের ইউনিয়নে ৭৭টি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে। এদিকে ছোট হরিণার প্রশাসক মো. রেজাউল করিম জানান, ৪৪টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং শুকনো খাবার বিতরণের কাজ চলছে।

রাঙামাটির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ রুহুল আমীন বলেন, ফারুয়া ইউনিয়নের জন্য ১ হাজার ত্রাণ প্যাকেজ প্রস্তুত করা হয়েছে এবং নতুন করে ৩০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দুর্গম ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে ত্রাণ পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগছে, তবে পর্যায়ক্রমে সকল ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তার আওতায় আনা হবে। বরকলের বিষয়ে তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট ইউএনওদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশনা দেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!