এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে খেলছে না বাংলাদেশ। নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকার কারণে আগে থেকেই ভারতে গিয়ে বিশ^কাপের ম্যাচগুলো খেলবে না বলে বারবার আইসিসিকে জানিয়ে আসছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভেন্যু সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আইসিসি এই অনুরোধ রাখেনি। আইসিসি বোর্ড মিটিং করে বাংলাদেশকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়েছিল বিশ^কাপে খেলা না খেলার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। এরপরে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় ভারতে কোনোভাবেই খেলবে না টাইগাররা। ফলে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় আইসিসি। বাংলাদেশকে সরিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ^কাপে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেহেতু বিশ^কাপে বাংলাদেশ দল খেলছে না, সেক্ষেত্রে এই ফাঁকা সময়ে কী করবেন ক্রিকেটাররা। অবশ্য বেশ কিছু ক্রিকেটার নিজ শহরে অবস্থান করছেন, পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন। আগামী মাসে রয়েছে বিসিএল। তার আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের জন্য আরও একটি টুর্নামেন্ট আয়োজনের চেষ্টার কথা জানা গিয়েছিল।
কিন্তু আগামী ১ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় দলে থাকা এবং জাতীয় দলের পুলে থাকা ক্রিকেটারদের নিয়ে শুরু হবে কন্ডিশনিং ক্যাম্প, যা চলবে সপ্তাহখানেক ধরে। বিসিবি সূত্রে জানা যায়, জাতীয় নির্বাচন শেষে হয়তো মাঠে গড়াতে পারে ক্রিকেট বোর্ডের বাকি টুর্নামেন্ট। এরই মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স ছুটি কাটাতে দেশে ফিরে গেছেন। জাতীয় দলের খেলা না থাকায় বেকার সময়ে ছুটি পেয়েছেন অন্য কোচিং স্টাফরাও। ক্রিকেটাররাও অবসর সময় পেয়েছেন। জাতীয় দলের খেলা না থাকায় ক্রিকেটের একটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে। প্রত্যাশা করা হচ্ছে, জাতীয় নির্বাচনের পর এই শূন্যতা দূর হবে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ততায় নতুন করে পথচলা শুরু হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের।

