× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১০:৪৭ এএম

বড়ই চাষে মিজানের ভাগ্য বদল

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১০:৪৭ এএম

বরই গাছ পরিচর্যা করছেন মিজানুর রহমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বরই গাছ পরিচর্যা করছেন মিজানুর রহমান। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সবুজে ঘেরা এক বাগান, যেখানে চোখ যায় শুধু বরই আর বরই গাছের দিকে। একসাথে প্রায় ৫ শতাধিক ৬-৭ ফুট উচ্চতার বরই গাছ দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হয়। বাগানে ‘বল সুন্দরী’ ও ‘আপেল কুল’ জাতের বরই আবাদে এক বছরে এসেছে অভাবনীয় সাফল্য।

গাছে গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে ছোট-বড় বরই। অনেক জায়গায় গাছের ডাল ফলের ভারে নুয়ে পড়েছে। আকার ও স্বাদে ভালো হওয়ায় বাজারে এর চাহিদাও বেশি।

এই বরই বিক্রির মাধ্যমে ভাগ্যের বদল হয়েছে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের টিয়াখালী গ্রামের ফকরুদ্দিনের ছেলে উদ্যোক্তা মো. মিজানুর রহমানের।

২০২৩ সালের ৩ এপ্রিল চুয়াডাঙ্গা থেকে ৩৫০টি বরইয়ের চারা এবং কৃষি অফিস থেকে আরও ৭৫টি চারা সংগ্রহ করে তিনি নতুন স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেন। বাবার ১০০ শতাংশ জমিতে মাত্র ২৪ হাজার টাকা খরচ করে গড়ে তোলেন বরই বাগান। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে।

উদ্যোক্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, বর্তমানে ২০০ থেকে ১৮০ টাকায় বাজারে বরই বিক্রি করছি। এবছর বরই বাগান থেকে ১০০ মণ বরই পাওয়ার আশা করছি। প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ না হলে ৭ হাজার ২০০ টাকা মণ দরে প্রায় ৭ লাখ টাকার বরই বিক্রি হবে।

বাগানের কর্মচারী আবুল হোসেন ফরাজি জানান, বাগানের শুরু থেকেই কাজ করছি। আমাদের আর বাইরে যেতে হয় না। মনের খুশিতে আমি বাজারে বরই বিক্রি করতে যাই।

অন্য কর্মচারী রিপন হাওলাদার বলেন, আমি নতুন করে বরই গাছের চারা লাগাচ্ছি। এই গাছ আগামী দুই বছর পর ফল দিবে।

দর্শনার্থী রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, আমাদের কলাপাড়ার কাছে এত বড় বরই বাগান আছে তা আমার জানা ছিল না। প্রতিবেশীদের কাছ থেকে শুনে বাগানটি দেখতে এসেছি। বরই বাগানটি দেখে মনে হয় যেন নিজেই উদ্যোক্তা হই।

দর্শনার্থী মজিবুল ইসলাম জীবু বলেন, বাগানের বরই খেয়ে দেখেছি, এগুলো খুব সুস্বাদু। আমাদের কলাপাড়া শহরের কাছাকাছি এত বড় বাগান আছে তা আমি জানতাম না।

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আরাফাত হোসেন বলেন, মিজানুর রহমান একজন সফল চাষি। তাকে কৃষি অফিস ও এসএসিপি সংস্থা সহযোগিতা করছে। এ ছাড়া আমাদের মাঠ পর্যায়ের সহকারী কৃষি অফিসার বরই চাষে কৃষকদের সব ধরনের পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!