× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম

নলকূপের পানির স্তর কমে যাওয়ায় দুর্ভোগে এলাকাবাসী

দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২১, ২০২৫, ০৪:২৩ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

পটুয়াখালীর দুমকীতে ৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৪টি ইউনিয়নে হস্তচালিত গভীর নলকূপের পানির স্তর কমে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছে জনসাধারণ। দীর্ঘ ২ বছর ধরে শুষ্ক মৌসুমে গভীর নলকূপের পানি ব্যবহার করতে পারছে না এলাকাবাসী।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পাংগাশিয়া ইউনিয়নের আলগীসহ কয়েকটি গ্রাম, লেবুখালী ইউনিয়নের লেবুখালীসহ উত্তর এলাকা, আংগারিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আংগারিয়াসহ পশ্চিম এলাকা, শ্রীরামপুর ইউনিয়নের পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী দুমকী, শ্রীরামপুর ও উত্তর দুমকী এলাকায় দীর্ঘ ২ বছর ধরে শুষ্ক মৌসুমে হস্তচালিত গভীর নলকূপে পানির সমস্যা দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার ভুক্তভোগী জনসাধারণ উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরে এসে অভিযোগ জানালে, অফিস কর্তৃপক্ষের লোকজন গিয়ে দেখেছেন, পানির স্তর নিচে চলে যাওয়ায় গভীর নলকূপ থেকে পানি উঠছে না।

ভুক্তভোগী মো. শাহজাহান খান বলেন, ‘শুষ্ক মৌসুমে এলাকার খালগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় পানি নেই। অন্যদিকে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী পীরতলা জামলা ও আংগারিয়া খালটি ময়লা-আবর্জনায় ভরে যাওয়ায় পানি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। খালের পানি ব্যবহার অনুপযোগী হওয়ায় জনসাধারণ অন্যান্য কাজে পানি ব্যবহার করতে পারছে না। শুষ্ক মৌসুমে টিউবওয়েলের পানির অভাবে অনেকে ব্যবহার অনুপযোগী পানি ব্যবহার করে বিভিন্ন পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে।’

দুমকী টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন জানান, ‘শুষ্ক মৌসুমে কলেজ শিক্ষক, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের পানির সমস্যা সমাধানের জন্য পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে।’

আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম আঙ্গারিয়া নিবাসী আবু রায়হান বলেন, ‘গভীর নলকূপ বসিয়েও শুষ্ক মৌসুম শুরু হলেই পানি পাওয়া যায় না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসব এলাকায় পূর্বে ৮০০–১০০০ ফুট গভীরে টিউবওয়েল বসানো হয়েছিল। কিন্তু ২ বছর পূর্বে বরিশাল ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় এবং পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় প্রডাকশন টিউবওয়েল স্থাপনের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় শুষ্ক মৌসুমে ভুক্তভোগী এলাকায় পানি সঠিকভাবে পৌঁছাচ্ছে না। দুমকী উপজেলায় সরকারিভাবে ১৫৩০টি টিউবওয়েল এবং বেসরকারিভাবে এক হাজার টিউবওয়েল বসানো হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এ ছাড়া এলাকাবাসী ব্যক্তিগত খরচে নিজ নিজ বাসায় টিউবওয়েল স্থাপনসহ মোটর ব্যবহার করেও পানি উত্তোলন করতে পারছে না।’

বেসরকারি এনজিও সংস্থার উপজেলার সভাপতি ও পিএসএস-এর পরিচালক হোসাইন আহম্মদ কবির হাওলাদার বলেন, নগরের সুবিধার্থে সমাজসেবামূলক কাজের লক্ষ্য নিয়ে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট অবহিত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী নিপা আক্তার জানান, হস্তচালিত নলকূপের পরিবর্তে সাবমারসিবল পাম্প বসানোর জন্য এলাকাবাসীর স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে।

Link copied!