× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ০২:০৪ পিএম

পাচারের সময় হত্যা মামলার আসামিসহ ১৭ ভুক্তভোগী উদ্ধার

টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫, ০২:০৪ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফের রাজারছড়ায় বিজিবির বিশেষ অভিযানে সাগরপথে পাচারের প্রাক্কালে হত্যা মামলার আসামিসহ মানব পাচার চক্রের হাত থেকে ১৭ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিকুর রহমান।

তিনি জানান, টেকনাফের রাজারছড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একজন হত্যা মামলার আসামিসহ সমুদ্রপথে মানব পাচারের প্রাক্কালে ১৭ ভুক্তভোগীকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, মানব পাচারের একটি সংঘবদ্ধ চক্র সমুদ্রপথে অবৈধভাবে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচারের পরিকল্পনা করছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে টেকনাফের মেরিন ড্রাইভসংলগ্ন রাজারছড়া এলাকায় গত ২৬ ডিসেম্বর রাত ১১টার দিকে একটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অধিনায়কের পরিকল্পনা অনুযায়ী ২ বিজিবির কয়েকটি চৌকস দল ইউনিট সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের রাজারছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের পাশের ঝোপঝাড়ে কৌশলগত অবস্থান নেয়।

এ সময় সাগরপথে মালয়েশিয়া গমনের উদ্দেশে ভুক্তভোগীদের নৌকায় তোলার সময় বিজিবির টহল দল আকস্মিকভাবে নৌকাটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে।

বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা নিশ্চিত গ্রেপ্তার এড়াতে রাতের অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সাঁতরে পাশের গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ট্রলারটিতে তল্লাশি চালিয়ে মোট ১৮ ভুক্তভোগীকে (পুরুষ ৭, মহিলা ৪ ও শিশু ৭) অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে জানা যায়, কর্মসংস্থান, ভালো বেতন, উন্নত ভবিষ্যৎ ও অর্থের প্রলোভনে ফেলে চক্রটি তাদের সাগরপথে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ২ বিজিবির অভিযানে প্রতারিত মানুষগুলোর এই বিপজ্জনক ও অনিশ্চিত সমুদ্রযাত্রা নস্যাৎ হয়।

এ ছাড়া টেকনাফ মডেল থানা কর্তৃক একজন হত্যা মামলার আসামি সীমান্ত অতিক্রম করে দেশের বাইরে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়কের কাছে পত্র প্রেরণ করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের নাম ও ঠিকানা যাচাই-বাছাইয়ের সময় মো. তারেক (২০) নামটি দৃষ্টিগোচর হয়। এ সময় টেকনাফ মডেল থানা কর্তৃক প্রেরিত নাম ও ঠিকানার সঙ্গে উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীর নাম ও ঠিকানার মিল পাওয়ায় বিজিবির অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদে ওই ব্যক্তি হত্যা মামলার আসামি বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগীরা জানান, অপরাধীর কয়েকজন দোসর তাদের বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ বেতনের চাকরি, সুবিধাজনক কর্মসংস্থান, দ্রুত ধনী হওয়ার স্বপ্ন, অল্প খরচে বিদেশযাত্রা এবং ভিসাসহ বিমানে গমন ও পরে চাকরির বেতনে বকেয়া পরিশোধের সুযোগ।

এসব লোভনীয় প্রস্তাবের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকা থেকে ভুক্তভোগীদের প্রতারণার জালে ফেলে মাথাপিছু অর্থের বিনিময়ে পাচারকারী চক্রের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হতো।

এ ছাড়া চক্রটির সঙ্গে মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত মানব পাচারকারীদের প্রতিনিধি রয়েছে। ফলে চক্রটি মানব পাচারের মতো জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করে আসছে।

উদ্ধারকৃত ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শেষে টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!