× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

থানা পোড়ানোর ঘটনা স্মরণ করিয়ে কর্মীকে ছাড়ালেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

হবিগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা এনামুল হাসান ওরফে নয়নকে আটকের ১৫ ঘণ্টা পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের চাপে পুলিশ ছেড়ে দিতে বাধ্য হলো।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় এ ঘটনা ঘটে।

থানা ঘেরাও করে রাখা ছাত্রনেতাদের সঙ্গে পুলিশের বাগ্‌বিতণ্ডার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে বানিয়াচং থানায় আগুন দিয়ে এক পুলিশ সদস্যকে পুড়িয়ে হত্যার কথা বলতে শোনা যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক নেতাকে।

এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেওয়ার বিষয়ে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বলেন, এনামুল একসময় ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলেও পরে তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে নিজেকে জড়ান।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহসভাপতি এনামুল হাসানকে গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশ আটক করে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থেকে কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছিলেন।

এনামুলকে আটকের পর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা নেতা-কর্মীরা তার মুক্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার দুপুরে থানা ঘেরাও করে।

এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র অধিকার আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসানের নেতৃত্বে একদল নেতা-কর্মী ওসির কক্ষে অবস্থান নেন। তারা দাবি করেন, এনামুল হাসান একসময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকলেও পরে তিনি জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালামের সঙ্গে মাহদী হাসানের উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হচ্ছে। মাহদীকে বলতে শোনা যায়, ‘জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমরা সরকার গঠন করেছি। এই জায়গায় আপনারা আমাদের প্রশাসনের লোক। আপনাদের মাধ্যমে আমাদের ছেলেদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ একপর্যায়ে মাহদী বলেন, “বানিয়াচং থানা আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে আমরা জ্বালিয়ে দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে আপনি কোন সাহসে এটা বলতে পারেন।’

খবর পেয়ে বেলা ৩টার দিকে হবিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম শায়েস্তাগঞ্জ থানায় যান। তার মধ্যস্থতায় বেলা সাড়ে ৩টার দিকে এনামুল হাসানকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মাহদী হাসান বলেন, ‘আটক হওয়া ছাত্রনেতা একসময় ছাত্রলীগ করলেও তিনি জুলাই আন্দোলনে আমাদের সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। শুধু তার অতীত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্য পুলিশ তাকে আটক করেছিল। আমাদের আন্দোলনের অন্যান্য নেতা-কর্মীরাও একসময় ছাত্রলীগে যুক্ত ছিলেন; তারাও কি অপরাধী?’

শনিবার সকালে হবিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপারের বরাত দিয়ে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এনামুল হাসানকে শায়েস্তাগঞ্জ থানা-পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছিল। জিজ্ঞাসাবাদে কোনো অপরাধের প্রমাণ না পাওয়ায় পরে অভিভাবকের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম বলেন, ‘আটকের পর যা হয়েছে, তা দেশবাসী দেখেছে। ভিডিও আমাদের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। আমরা তাকে বৈষম্যবিরোধী একটি মামলায় সন্দেহভাজন ও ছাত্রলীগের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক করি। পরদিন তথ্য যাচাই করার পর দেখা যায়, সে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। পরে মুচলেকা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।’

Link copied!