× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সুমন রাহাত, নেত্রকোনা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

বিদ্যালয় ভবনে ফাটল, ঝুঁকি আর আতঙ্কে শিক্ষার্থী-শিক্ষক

সুমন রাহাত, নেত্রকোনা

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৬, ২০২৬, ০৪:০৫ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার বিলজোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মূল ভবনে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে চরম উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ে মোট দুটি ভবন রয়েছে। এর মধ্যে একটি ভবন নির্মিত হয় ১৯৯৮ সালে এবং অপরটি ২০০৬ সালে। পুরোনো মূল ভবনের ছাদ ও দেওয়ালে একাধিক বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। সম্প্রতি টানা ভারি বৃষ্টি এবং ভবনের ঝুঁকিপূর্ণ কাঠামোর কারণেই এসব ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

‎ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার মধ্যেই বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান চলছে। ফলে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্লাস করতে হচ্ছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষক ও অভিভাবকদের।

‎বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক উসূফ কবীর বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ে প্রায় ১৫০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। স্কুলের মূল ভবনটি অনেক পুরোনো। দিন দিন ফাটল বড় হচ্ছে, বিমে পাটল ধরেছে, মেঝে গর্ত হয়ে গেছে এবং বৃষ্টির দিনে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। ঝুঁকির মধ্যেই পাঠদান করতে হচ্ছে। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। আমরা সবাই শঙ্কিত অবস্থায় আছি।’

‎এক অভিভাবক জানান, ‘আমরা আমাদের সন্তানদের নিরাপত্তাসহ পাঠদানের ব্যবস্থা চাই। দ্রুত ভবন সংস্কার বা নতুন ভবন নির্মাণ জরুরি। নাহলে যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।’

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মফিজুল হক বলেন, ‘বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য ইতোমধ্যে অধিদপ্তরে আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি দ্রুত নতুন ভবনের ব্যবস্থা হবে।’

‎জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহিদুল আজম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ও জরাজীর্ণ বিদ্যালয়ের তালিকা আমরা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি। শিক্ষা কর্মকর্তাকে ইঞ্জিনিয়ারসহ বিদ্যালয়টি পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

‎এলাকাবাসীর দাবি, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দ্রুত বিদ্যালয় ভবন সংস্কার অথবা বিকল্প শিক্ষাব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হোক। অন্যথায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
 

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!