× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

কুয়াশা-শীতে বোরো চাষে শঙ্কা, আমনে অর্জন শতভাগ

নলছিটি (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতের কারণে বোরো ধানের বীজতলায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বীজতলায় চারাগাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে, কোথাও চারা গাছ গজাচ্ছে না, আবার অনেক স্থানে চারা দুর্বল হয়ে মারা যাচ্ছে। এতে আসন্ন বোরো মৌসুম নিয়ে কৃষকরা গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।

উপজেলার কুশঙ্গল, সুবিদপুর, সিদ্ধকাঠি, কুলকাঠি, মোল্লারহাট ও নলছিটি পৌর এলাকার বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বেশিরভাগ বীজতলায় চারাগুলো স্বাভাবিক সবুজ রং হারিয়ে হলদেটে হয়ে গেছে। পর্যাপ্ত সূর্যালোকের অভাবে চারার বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং শীতের কারণে চারার গোড়া পচে যাওয়ার ঝুঁকিও দেখা দিয়েছে।

কুশঙ্গল ইউনিয়নের চাষি ফয়সাল খান বলেন, চারাগুলো কিছুটা বড় হয়েছিল। কিন্তু এখন ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে হলুদ হয়ে যাচ্ছে। দ্রুত কুয়াশা না কাটলে চারার ব্যাপক ক্ষতি হবে।

সুবিদপুর ইউনিয়নের গোদন্ডা গ্রামের কৃষক মো. সামিম হাওলাদার বলেন, এক কাঠা বীজতলা করতে প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হয়। চারা নষ্ট হলে পরে নতুন চারা কিনে রোপণ করতে খরচ অনেক বেড়ে যাবে।

স্থানীয় কৃষকরা ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওষুধ ও কীটনাশক প্রয়োগ করেছেন। তবুও আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাবের কারণে কাঙ্ক্ষিত ফল মিলছে না। ফলে বাড়তি খরচের পাশাপাশি উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কায় পড়েছেন চাষিরা।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহাবুবুর রহমান জানান, চলতি মৌসুমে নলছিটি উপজেলায় বোরো ধানের বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪৬ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের জন্য ৪৮ হেক্টর এবং উফশী জাতের জন্য ৩৯৮ হেক্টর বীজতলা প্রস্তুত করা হয়েছে। তবে ঘন কুয়াশা ও শীতের কারণে কিছু বীজতলা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, আমন মৌসুমে উপজেলায় ১২,৮৫৬ হেক্টর জমিতে চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা শতভাগ অর্জিত হয়েছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!