ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নারায়ণগঞ্জে বিএনপির দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ, আহত ১০

রূপালী ডেস্ক
প্রকাশিত: জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০৫:৪৮ এএম
সংঘর্ষের পর যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি তৎপরতা। ছবি : সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিএনপির অঙ্গসংগঠনের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

শনিবার (১০ জানুয়ারি) বিকেলে ফতুল্লার শিহাচর এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আটজনকে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিরা হলেন- কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান দোলন, আকাশ, জুয়েল, রিয়াজুল, রাজিব, জিহাদ ও রশিদ।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিহাচর হাজীবাড়ি মোড় এলাকায় ইউনুস মাস্টার ও কুতুবপুর ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি জয়নাল আবেদীনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে শনিবার দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে র‍্যাব ও পুলিশসহ যৌথ বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন।

এ বিষয়ে ফতুল্লা থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক (সদ্য বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার হওয়া) রিয়াদ মো. চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষে জড়িত উভয় পক্ষ একে অপরের আত্মীয়স্বজন। নানা কারণে তাদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে এবং সে কারণে বছরে এক-দুবার এমন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান বলেন, দুই পক্ষের আটজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের কয়েকজনের কাছ থেকে গাঁজা ও হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া বিস্ফোরিত বোমার কিছু অংশ জব্দ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও আটক করতে যৌথ বাহিনীর অভিযান চলছে।