× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৮:৩১ এএম

মামলার আসামিকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে পিটিয়ে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৮:৩১ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় ছয় মামলার আসামি মিজানুর রহমান রনি ওরফে কানা মিজানকে (৩৫) প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের কালিরহাট বাজারসংলগ্ন কাজী বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর নিহতকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে একদল যুবক বাজারে মিষ্টি বিতরণ করলে বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি করে। নিহত মিজানুর রহমান কবিরহাট পৌরসভার জৈনদপুর এলাকার মো. শহীদের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি, দুটি চুরি, একটি অস্ত্র মামলা ও সরকারি কর্মচারীর ওপর হামলাসহ অন্তত ছয়টি মামলা রয়েছে।

ঘটনার দিন সন্ধ্যায় কালিরহাট বাজারে ২ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির একটি নির্বাচনি বৈঠক চলাকালে মিজান সেখানে উপস্থিত হয়ে নিজেকে দলের ত্যাগী কর্মী দাবি করেন। এ সময় উপস্থিত নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি ও বাগবিতণ্ডা হয়। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে তাকে ধাওয়া দিলে তিনি সেখান থেকে চলে যান।

পরে কালিরহাট বাজারের উত্তরে কাজী বাড়ির সামনে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে আটক করে লাঠি ও লোহার পাইপ দিয়ে মুখ ও মাথায় এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। পরে মরদেহ সড়কে ফেলে রাখা হয়।

খবর পেয়ে কবিরহাট থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে রক্তমাখা একটি লাঠি ও একটি লোহার পাইপ উদ্ধার করা হয়। নিহতের পকেট থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি টিপ ছুরি পাওয়া গেছে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন, নিহত মিজানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগ ছিল। ঘটনার পর তাকে ডাকাত আখ্যা দিয়ে বাজারে মিষ্টি বিতরণ করা হয়, যা নিয়ে এলাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

নিহতের স্বজনরা বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে কষ্ট করে মানুষ হয়েছি। আমাদের আত্মীয়স্বজনরা জানে আমাদের কষ্টের কথা। অথচ মিজানকে এভাবে মেরেছে তা আমরা মানতে পারি না। তার পুরো মুখ থেঁতলে দিয়েছে। দেশে আইন আছে। যারা হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই।

কবিরহাট থানার ওসি মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গণপিটুনিতে এক ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাই। সুরতহাল প্রতিবেদন করা হয়েছে। নিহতের পরিবার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এ বিষয়ে অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!