× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০১:৫১ পিএম

শার্শায় ‘লাইট ইনডোর্স’ পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষে নতুন দিগন্ত

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০১:৫১ পিএম

দিন বাড়াতে কৃত্রিম আলো। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিন বাড়াতে কৃত্রিম আলো। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রাতের আঁধারেও যেন দিনের আলো—এ রকম এক পরিবেশ বিরাজ করছে যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়নের বসতপুর গ্রামের ড্রাগন বাগানে। আধুনিক ইনডোর লাইটিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে অমৌসুমে ড্রাগন চাষে বিপ্লব ঘটিয়েছেন তরুণ উদ্যোক্তা মনিরুজ্জামান মনির। 

শীতের সময়ে কৃত্রিম আলো ব্যবহার করে তিনি ড্রাগনের ফলন প্রায় তিনগুণ বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এই উদ্ভাবনী উদ্যোগ শার্শার কৃষি খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

মনিরুজ্জামান প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে ৭ বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ শুরু করেছিলেন। বর্তমানে তার খামারের পরিধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ বিঘায়। এর মধ্যে শীতকালীন অমৌসুমে উৎপাদন নিশ্চিত করতে ২০ বিঘা জমিতে কৃত্রিম আলোর ব্যবস্থা চালু করেছেন।

মনিরুজ্জামান বলেন, সাধারণত ভরা মৌসুমে ড্রাগনের দাম যেটা পাওয়া যায়, অমৌসুমে ফলন ধরাতে পারলে তা কয়েকগুণ বেশি লাভজনক। শীতকালে দিন ছোট হওয়ায় সূর্যের আলো কমে যায়। ফলে ফুল ও ফল কম আসে। এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠতে ২০ বিঘার বাগানে শত শত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছি।

বাগানে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাত ১২টা এবং মধ্যরাত ৩টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত দুই দফায় কৃত্রিম আলো জ্বালানো হয়। এতে গাছের সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া সচল থাকে এবং শীতকালেও ফুল ধরে।

উপজেলা কৃষি অফিসার দীপক কুমার সাহা জানান, উপজেলায় বর্তমানে প্রায় ৮৫ হেক্টর জমিতে ড্রাগন আবাদ হচ্ছে। অমৌসুমে উৎপাদিত ড্রাগনের বাজারমূল্য তুলনামূলক বেশি হওয়ায় কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

তবে এই আধুনিক পদ্ধতির বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ব্যয়। মনিরুজ্জামান জানান, ২০ বিঘা জমিতে লাইটিং সিস্টেম চালাতে প্রতি মাসে প্রায় আড়াই লাখ টাকা খরচ হচ্ছে, যার বেশির ভাগই বিদ্যুৎ বিল। যদি বিদ্যুৎ খরচকে কৃষি খাতের আওতায় বিশেষ সুবিধা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হতো, তবে আরও অনেক কৃষক এই প্রযুক্তি গ্রহণ করতেন।

কৃষি কর্মকর্তারা মনে করছেন, পরিকল্পিত সহায়তা ও নীতিগত সুবিধা দিলে ‘লাইট ইনডোর্স’ পদ্ধতিতে ড্রাগন চাষ শার্শাসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও অমৌসুমে ফল উৎপাদনের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে সক্ষম হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!