আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (দাগনভূঞা-সোনাগাজী) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে মনোনয়ন জমা দেন যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ মাসুদ। তবে তার মনোনয়নপত্রে সমর্থনকারী হিসেবে স্বাক্ষর করা এক ভোটারকে মৃত দাবি করে ফেনী জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেন।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শুনানিতে নির্বাচন কমিশনে মৃত দাবি করা সেই ভোটারকে সরাসরি হাজির করেন খালেদ মাহমুদ মাসুদ। তথ্য যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচন কমিশন তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি শেষে এ সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
খালেদ মাহমুদ মাসুদ জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের জন্য নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভোটারের সমর্থন অনুযায়ী তিনি আনোয়ারা বেগম নামে একজন ভোটারের সমর্থন জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা আনোয়ারা বেগমকে মৃত দাবি করে তার বিরুদ্ধে স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগ এনে মনোনয়নপত্র বাতিল করেন।
তিনি আরও জানান, যাকে মৃত বলা হচ্ছে, সেই আনোয়ারা বেগম আদৌ স্বাক্ষর দিতে পারেন না। তিনি আঙুলের ছাপ ব্যবহার করেন। তাই আমি আপিল শুনানিতে সরাসরি জীবিত আনোয়ারা বেগমকে নির্বাচন কমিশনে হাজির করেছি। যাচাই শেষে কমিশন আমার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে।
উল্লেখ্য, ফেনী-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল মিন্টু। অপরদিকে, জামায়াতে ইসলামী থেকে এ আসনে প্রার্থী হয়েছেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফখরুদ্দিন মানিক।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন