× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন আবারও বন্ধ

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬, ০৪:৩২ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়।

এতে কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত থাকে। এর আগে সোমবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সাতদিন পর ২৬ অক্টোবর উৎপাদন পুণরায় শুরু হয়।

জানা গেছে, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে তিনটি ইউনিট রয়েছে। এর মধ্যে তৃতীয় ইউনিট (২৭৫ মেগাওয়াট) যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ।

দ্বিতীয় ইউনিট (১২৫ মেগাওয়াট) ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ, এবং প্রথম ইউনিট গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর বন্ধ হয়ে যায়। ১৪ জানুয়ারি ১৫ দিন পর উৎপাদন পুণরায় শুরু হয়।

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, সকালে ১ নম্বর ইউনিটের বয়লারের টিউব পুরোপুরি ফেটে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার বয়লারটি ঠান্ডা হলে মেরামতের কাজ শুরু হবে।

বর্তমানে উৎপাদনে ফেরার সঠিক সময় নির্ধারণ করা যাচ্ছে না এবং এবার দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে। প্রথম ইউনিটটি অনেক পুরনো। প্রতি পাঁচ বছর পর পর মেরামত প্রয়োজন হয়।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি) পরিচালিত বড়পুকুরিয়া খনির কয়লার ওপর নির্ভর করে ৫২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন কার্যক্রম চলে।

চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হারবিন ইন্টারন্যাশনাল পরিচালিত তৃতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামতের কাজ করছে। চীন থেকে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ পৌঁছালে আগামী মার্চে তৃতীয় ইউনিটে উৎপাদন পুনরায় শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

দ্বিতীয় ইউনিটের যন্ত্রাংশ সংগ্রহে দামের বৃদ্ধি-সংক্রান্ত অজুহাতে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গড়িমসি করছে বলে জানান তিনি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!