× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:১৯ এএম

আবারও উৎপাদনে ফিরল বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ১১:১৯ এএম

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রথম ইউনিটটি আবারও বিদ্যুৎ উৎপাদনে ফিরেছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারি) রাত ৯টা ৩ মিনিট থেকে ইউনিটটি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক।

তিনি জানান, কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বয়লারের টিউব ফেটে যাওয়ার কারণে গত ১৮ জানুয়ারি বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। মেরামত কাজ শেষে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে বয়লারে ফায়ারিং শুরু করা হয় এবং রাত সাড়ে ৯টার দিকে পুনরায় উৎপাদনে ফেরা সম্ভব হয়।

কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটের মধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ১২৫ মেগাওয়াট করে এবং তৃতীয় ইউনিটের উৎপাদন ক্ষমতা ২৭৫ মেগাওয়াট।

দ্বিতীয় ইউনিটটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ২০২০ সালের নভেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া গত বছরের ১৬ অক্টোবর ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটিও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। গত দুই মাসে প্রথম ইউনিটটি চারবার বন্ধ হয়েছে।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর দুপুরে বন্ধ হওয়ার পর ১৩ ডিসেম্বর রাতে উৎপাদনে ফিরলেও ৩০ ডিসেম্বর পুনরায় বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৪ জানুয়ারি আবার উৎপাদনে আসলেও মাত্র চার দিন পর আবার বন্ধ হয়ে যায়। এতে একপর্যায়ে কেন্দ্রের তিনটি ইউনিটই বন্ধ হয়ে পড়ে।

প্রধান প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক আরও জানান, বর্তমানে প্রথম ইউনিটটি থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫০ থেকে ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে। ইউনিটটি সচল রাখতে প্রতিদিন প্রায় ৭০০ থেকে ৮০০ টন কয়লার প্রয়োজন হবে।

তিনি বলেন, কেন্দ্রের ২৭৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তৃতীয় ইউনিটটির মেরামত কাজ চলমান। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে ইউনিটটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!