× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম

বিদেশি কুল চাষে শরিফুলের সফলতা

গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৪, ২০২৬, ০৮:৪৮ এএম

কুল সংগ্রহ করছেন কৃষক শরিফুল ইসলাম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কুল সংগ্রহ করছেন কৃষক শরিফুল ইসলাম। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

২০০৯ সালে শখের বশে দুই বিঘা জমিতে বিদেশি কুল চাষ শুরু করেন গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের বেড়গঙ্গারামপুর গ্রামের কৃষক শরিফুল ইসলাম।

এরপর তিনি ধীরে ধীরে ১৬ বিঘা জমিতে বাণিজ্যিকভাবে কুল চাষ করে সাফল্য অর্জন করেন। তার দেখাদেখি এখন এলাকায় অনেক যুবক বিদেশি কুল চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

জানা যায়, ১৬ বছর আগে শরিফুল ইসলাম তার জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে বিদেশি জাতের কুল চাষ শুরু করেন। গাছের বৃদ্ধি, ফুল আসা ও ফলন দেখে তিনি আশাবাদী হয়ে ওঠেন।

প্রথম বছরের ফলন ও বাজারমূল্য ভালো পাওয়ায় পরে কয়েক বছরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে কুল চাষের পরিধি বাড়াতে থাকেন। বর্তমানে তিনি ১৬ বিঘা জমিতে বিদেশি কয়েক জাতের কুল চাষ করছেন।

তার বাগানে থাই কুল, আপেল কুল, নারিকেল কুল, বল সুন্দরী, ভারত সুন্দরীসহ উন্নত জাতের কুলের গাছ রয়েছে। এসব কুল আকারে বড়, স্বাদে মিষ্টি এবং বাজারে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন। বাগান থেকে মণপ্রতি চার হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকায় এসব বিদেশি কুল বিক্রি করছেন তিনি।

বাগান শ্রমিক নয়ন হোসেন বলেন, স্কুল বন্ধের দিনে অবসর সময়ে কুল বাগানে কাজ করি। সেই টাকা দিয়ে পড়াশোনা ও নিজের খরচ মেটাই।

আরেক শ্রমিক সজীব বলেন, চার-পাঁচ বছর ধরে কুল ও লিচুবাগানে কাজ করছি। উপার্জনের টাকা দিয়ে সংসার চালাই।

কুলচাষি মো. শরিফুল ইসলাম বলেন, শখের বশে দুই বিঘা জমিতে কয়েক প্রজাতির বিদেশি কুল চাষ শুরু করি। প্রথম মৌসুমেই গাছ থেকে প্রচুর ফল সংগ্রহ করি এবং ভালো বাজারমূল্য পাই। প্রতি মৌসুমে এই কুল বাগান থেকে খরচ বাদ দিয়ে বিঘাপ্রতি ৩০-৪০ হাজার টাকা আয় করছি।

তিনি আরও বলেন, আমার এই কুল বাগানে এলাকার অনেক স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী অবসর সময়ে কাজ করে নিজের পড়াশোনার খরচ মেটায়। এতে অনেক যুবকের পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

গুরুদাসপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কে এম রাফিউল ইসলাম বলেন, এ বছর উপজেলায় কুলের ফলন ভালো হয়েছে। চাহিদা ও বাজারমূল্যও ভালো। বাজারমূল্য ঠিক থাকলে চাষিরা লাভবান হবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!