× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

‘একদম খাইয়া ফালামু’— স্বতন্ত্র প্রার্থীর স্ত্রীকে যুবদল নেতার হুমকি

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৩:৫০ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

স্বামীর পক্ষে প্রচার চালাতে গিয়ে প্রকাশ্যে হুমকির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের স্ত্রী। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেছেন ‘একদম খাইয়া ফালামু’ বলে হুমকি দেন যুবদলের নেতা ও বন্দর ঘাট সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির সেক্রেটারি হুমায়ুন কবীর। এ ঘটনার একটি ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

হুমকির শিকার নার্গিস আক্তার স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মাকসুদ হোসেনের স্ত্রী। মাকসুদ হোসেন বন্দর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ (নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন-বন্দর) আসন থেকে ফুটবল মার্কা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দীর্ঘদিন জাতীয় পার্টির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও ২০২৪ সালের এপ্রিলে তিনি দল থেকে বহিষ্কৃত হন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, বন্দর উপজেলা যুবদল নেতা হুমায়ুন কবীর নার্গিস আক্তারকে বহনকারী গাড়ির দিকে তেড়ে গিয়ে প্রশ্ন করেন, ‘এখানে কেন এসেছেন? এখনই চলে যান। এখানে আর আসবেন না। একদম খাইয়া ফালামু।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে নার্গিস আক্তার বলেন, ‘আমার স্বামী মাকসুদ হোসেনের পক্ষে বিভিন্ন দোকানে লিফলেট বিতরণ করছিলাম। এ সময় তারা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। আঙুল উঁচিয়ে তেড়ে আসে এবং উচ্চস্বরে বলতে থাকে—একদম খাইয়া ফালামু। পরিস্থিতি বুঝে আমরা দ্রুত গাড়িতে উঠে স্থান ত্যাগ করি। সে সময় আমাদের হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

হুমকি-ধামকির অভিযোগ অস্বীকার করে যুবদল নেতা ও বন্দর ঘাট সিএনজি অটোরিকশা শ্রমিক সমিতির সেক্রেটারি হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘শুক্রবার সকালে খবর পাই, মাকসুদের লোকজন এলাকায় ঢুকে ভোটার ও মন্দিরে টাকা বিতরণ করছে। খবর পেয়ে এলাকার ভোটারদের সঙ্গে নিয়ে আমি এর প্রতিবাদ করি। তারা কিছুদূর গিয়ে আবার লিফলেটের সঙ্গে টাকা বিতরণ শুরু করে। তখন আমি আবারও ছুটে গিয়ে তাদের এ কাজের প্রতিবাদ করি এবং বলি—আপনারা এখান থেকে চলে যান। আমি কোনো খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কিছু বলিনি।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা শিবানী সরকার বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট নার্গিস আক্তার আমার কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।’

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!