× UCB Sticker Card
বুধবার, ২২ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম

শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে হট্টগোলে নিবন্ধন বন্ধ

শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বগুড়ার শেরপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে একটি জমির নিবন্ধনের তদন্তকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাব-রেজিস্ট্রি কর্মকর্তাকে গালিগালাজ ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। 

এই পরিস্থিতিতে বুধবার সকাল থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত জমি কেনাবেচার নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকে, যার ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েন অন্তত দুই শতাধিক সেবাগ্রহীতা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

বুধবার (২২ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে শেরপুর পৌর শহরের বারোদুয়ারি পাড়া এলাকায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে এই ঘটনা ঘটে।

অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের খন্দকারটোলা মৌজার ৩২৮ শতাংশ জমি কেনাবেচা নিয়ে ক্রেতাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। এ সংক্রান্ত একটি অভিযোগের প্রেক্ষিতে বুধবার দুই পক্ষকে নোটিশ দিয়ে তদন্তে ডাকেন শেরপুর অফিসের খণ্ডকালীন সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকা।

সাব-রেজিস্ট্রার নাঈমা সিদ্দিকা জানান, তদন্ত চলাকালীন এক পর্যায়ে নূরে আলম শাকিল নামের এক ব্যক্তি তাকে কটাক্ষ করে গালিগালাজ করেন এবং হামলার চেষ্টা করেন। এতে অফিসের পরিবেশ অশান্ত হয়ে ওঠে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এবং শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানানো হয়েছে।

অভিযুক্ত নূরে আলম শাকিল দাবি করেন, ওই জমির নিবন্ধনের বিষয়ে অন্তত ২০ লাখ টাকার দুটি পে-অর্ডার ছিল। তাদের না জানিয়েই ওই পে-অর্ডার ভাঙানো হয়েছে। এ নিয়ে কথা বলতে গেলে সাব-রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতেই একদল লোক তার ওপর চড়াও হয় এবং তাকে মারধর করে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, দলিল লেখক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফ বলেন, নূরে আলম তদন্ত চলাকালে কর্মকর্তাকে অপদস্থ করার চেষ্টা করলে তিনি বাধা দেন। এ সময় নূরে আলমের লোকজনের হামলায় তিনি নিজেও আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অফিসের ভেতর এই অনাকাঙ্ক্ষিত উত্তেজনার কারণে সকাল থেকেই সব ধরণের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। দলিল নিবন্ধন করতে আসা দুই শতাধিক নারী-পুরুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কাজ না করেই ফিরে যান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং প্রায় দুই ঘণ্টা সেখানে অবস্থান করে।

শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির খবর পেয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছিল। সাব-রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা বিষয়টি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন। পুলিশ পুরো বিষয়টি নজরে রাখছে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!