× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

রোভারের ৪ সদস্যের ১৫০ কিমি হেঁটে পথভ্রমণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ০১:২৫ পিএম

রোভারের ৪ সদস্যের ১৫০ কিমি হেঁটে পথভ্রমণ শুরু। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

রোভারের ৪ সদস্যের ১৫০ কিমি হেঁটে পথভ্রমণ শুরু। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) মেইন গেট থেকে পটুয়াখালীর পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত ১৫০ কিলোমিটার পথ হেঁটে অতিক্রমের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছেন চার রোভার স্কাউট।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) ভোরে তাদের পরিভ্রমণ শুরু হয়। এই পরিভ্রমণে অংশ গ্রহণ করেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন শিক্ষার্থী—রোভার ইমরান, অশোক, তরিকুল এবং সরকারি মুকসুদপুর কলেজের এক শিক্ষার্থী মুরছালিন।

পরিভ্রমণকারীরা গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যাত্রা শুরু করে বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা হয়ে পটুয়াখালী পায়রা তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পৌঁছাবে। পাঁচ দিনের এই ভ্রমণে তারা বিভিন্ন ঐতিহাসিক স্থাপনাসমূহ পরিদর্শন করবেন, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন এবং সামাজিক সচেতনতামূলক প্রচারে অংশ নেবেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের সম্পাদক ও সহযোগী অধ্যাপক (সমাজবিজ্ঞান) মো. মজনুর রশিদ (উডব্যাজার) এবং গোপালগঞ্জ জেলা রোভার স্কাউটের সম্পাদক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জুবাইর আল মাহমুদ (এ.এল.টি.)।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দলের নেতৃস্থানীয় রোভার ইমরান (ইংরেজি বিভাগ) বলেন, ‘পরিভ্রমণ বলতে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে হেঁটে যাত্রা বোঝায়। সাধারণ ভ্রমণের মতো নয়, এখানে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণের বাস্তব দিকটি বেশি গুরুত্ব পায়। মূলত প্রেসিডেন্টস রোভার স্কাউট অ্যাওয়ার্ড অর্জনের লক্ষ্যে ছয়টি পারদর্শিতা ব্যাজের মধ্যে একটি পরিভ্রমণকারী ব্যাজ। এই ব্যাজ অর্জনের লক্ষ্য ও অভিজ্ঞতা বৃদ্ধির জন্য আমরা এই পরিভ্রমণ করছি।’

রোভার তরিকুল (ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ) বলেন, ‘পরিভ্রমণের মাধ্যমে আমরা পরিবেশের খুব কাছাকাছি গিয়ে বাস্তব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পাই। ঐতিহাসিক স্থাপনা দর্শন, সংস্কৃতি ও ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারি। দীর্ঘ পথ হাঁটার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাসী হই, সহনশীলতা বৃদ্ধি পাই এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটে। এর পাশাপাশি মনে চিত্তবিনোদন ও মানসিক প্রশান্তি আসে এবং স্মৃতির ভাণ্ডারও সমৃদ্ধ হয়।’

Link copied!