× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দায়িত্বে অবহেলা ও তদারকির ঘাটতি

উলিপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ১০:০৮ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

উলিপুর উপজেলার একাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়মিত পাঠদান না হওয়া, শিক্ষার্থী উপস্থিতি কম থাকা, সময়ের আগেই বিদ্যালয় বন্ধ করা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বিদ্যালয় খোলা থাকার কথা থাকলেও বাস্তবে তা মানা হচ্ছে না।

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) পাতিলাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করলে দেখা যায়, বিদ্যালয় খোলা থাকলেও শিক্ষার্থী উপস্থিতি মাত্র ১২ জন। শিক্ষক মোছা বিলকিস বেগম ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণির ক্লাস নিয়েছেন, কিন্তু ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা স্কুল মাঠে খেলাধুলা করছিল।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, বর্তমান প্রধান শিক্ষক দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিদ্যালয়ের অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে। তাদের বক্তব্য, বিদ্যালয়ের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বাসায় নেওয়া হয়েছে।

প্রাক্তন প্রতিষ্ঠাতা শিক্ষক মোক্তারুল আলম বলেন, বিদ্যালয়ের বর্তমান অবস্থা খুবই উদ্বেগজনক। প্রধান শিক্ষক নিজের ইচ্ছেমতো আসেন এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস থেকে তদারকি প্রায়ই করা হয় না।

শিক্ষানুরাগী প্রফেসর আব্দুল কাদের বলেন, বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস হয় না। প্রধান শিক্ষক হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করে চলে যান, আর অন্য শিক্ষকরা মোবাইল ব্যবহার করেন।

দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম সংক্ষিপ্তভাবে বলেন, আপনার যা ইচ্ছা লিখুন।

পশ্চিম কিশোরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়েও একই চিত্র দেখা গেছে। বিদ্যালয় দুপুর ২টার আগেই বন্ধ করা হয়। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, শুধু বাংলা ও গণিতের ক্লাস হয়েছে, আর স্কুল ৯টা থেকে ৪টা খোলা থাকার কথা হলেও সকাল ১০টার পরে বিদ্যালয় খোলা হয়েছে।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নারগিস ফাতেমা জানিয়েছেন, তিনি বর্তমানে অসুস্থ থাকায় বিষয়টি সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেছেন।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার জাকির হোসেন ও আবুল কালাম বলেছেন, অভিযোগ যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়ম প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত কার্যকর তদারকি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা না হলে প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!