× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

সালথায় রিকশার ভোট চাওয়ায় মাদরাসা শিক্ষককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ

সালথা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ফরিদপুরের সালথায় ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে রিকশা মার্কায় ভোট চাওয়ার অভিযোগে হাফেজ মো. মুকতার হুসাইন (৫০) নামে একটি কওমি মাদরাসার শিক্ষককে চাকরিচ্যুত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে সালথা উপজেলা খেলাফত মজলিস কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান তিনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষক হাফেজ মুকতার হুসাইন উপজেলার ভাওয়াল ইউনিয়নের ইউসুফদিয়া রহমানিয়া তালতলা মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক। তিনি নগরকান্দা উপজেলার ইশ্বরদী গ্রামের বাসিন্দা।

সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী হাফেজ মুকতার হুসাইন বলেন, ‘মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে আমি মাদরাসায় ক্লাস নিচ্ছিলাম। এ সময় মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা হেদায়েত উল্লাহর ভাই কাইয়ুম মোল্যা ও স্থানীয় উজ্জ্বল মাতুব্বর মাদরাসায় এসে আমাকে ক্লাসরুম থেকে ডেকে নেন। এরপর তারা প্রথমে আমার প্রশংসা করে বলেন, আপনি কি রিকশা মার্কায় ভোট চান এবং হুজুরের নির্বাচনি সভায় অংশগ্রহণ করেন? উত্তরে আমি বলি, হ্যাঁ, হুজুরকে আমি ভালোবাসি, তাই ভোট চাই। এই কথা বলার পর কাইয়ুম মোল্যা আমাকে খারাপ ভাষায় গালাগালি করেন এবং হুমকি দেন। পরে মাদরাসা কর্তৃপক্ষ আমার বকেয়া বেতন দিয়ে আমাকে বিদায় করে দেয়। আমি এ ঘটনার ন্যায়বিচার চাই।’

সংবাদ সম্মেলনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে সালথা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘ফরিদপুর-২ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী আল্লামা আকরাম আলী হুজুরের পক্ষে ভোট চাওয়ায় আমাদের একজন কর্মীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা ১১ দলের পক্ষ থেকে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘সালথা ও নগরকান্দায় সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই। আমাদের নেতাকর্মীদের বিভিন্ন জায়গায় হুমকি-ধামকি দেওয়া হচ্ছে। বিরোধী পক্ষ বারবার এসব কাজ করছে। এসব ঘটনার বিষয় সালথা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাকে জানানো হলেও কোনো তদন্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।’

হুমকি ও গালাগালির অভিযোগ অস্বীকার করে মাদরাসার মুহতামিমের ভাই কাইয়ুম মোল্যা বলেন, ‘ওনাকে কোনো হুমকি-ধামকি দেওয়া হয়নি। তিনি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করেছেন। তিনি আগেও একবার মাদরাসা থেকে চাকরি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, পরে আবার যোগ দেন। মাঝে মাঝে তিনি ছাত্রদের মারধর করেন। তারপরও তিনি একজন হাফেজ হওয়ায় সম্মান করে আমরা কিছু বলিনি। কিন্তু কয়েকদিন ধরে তিনি ক্লাস চলাকালে মাদরাসার ছাত্রদের কাছে রিকশা মার্কায় ভোট চান এবং চাপ দেন। ছাত্রদের পরিবারের কাছেও ভোট চাইতে বলেন। এতে মাদরাসার পরিবেশ নষ্ট হয়। তাই আজ সকালে আমরা মাদরাসায় গিয়ে তাকে এভাবে ভোট চাওয়া থেকে বিরত থাকতে বলি। পরে তিনি উল্টো হুমকি-ধামকি দিয়ে মাদরাসা থেকে বের হয়ে যান।’

সালথা উপজেলা সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা সঠিক নয়। তারা আজ পর্যন্ত আমাকে কোনো লিখিত অভিযোগ দেয়নি। এমনকি আমার কার্যালয়ের সামনে একটি অভিযোগ বাক্স রাখা আছে, সেখানেও ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কোনো হুমকি-ধামকি বা নির্বাচনি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’

Link copied!