ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

গফরগাঁওয়ে দেশি অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৩

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৬, ০১:৫৮ পিএম
দেশি অস্ত্র উদ্ধার। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথ বাহিনী।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে উথুরী গ্রাম থেকে দুই ভাই সাব্বির-কামরুল ও উপজেলা হাটুরিয়া থেকে ছাত্রদলের আহ্বায়ক মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন গফরগাঁও উপজেলার হাটুরিয়া গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে মো. মুক্তার হোসেন। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক। একই উপজেলার উথুরী গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে কামরুল ও মো. ছাব্বির হোসেন।

এ সময় তাদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র (পিস্তল) একটি, ম্যাগাজিন একটি, অ্যামোনিশন একটি, গ্যাস পিস্তল একটি,  আগ্নেয়াস্ত্র পিস্তলের ৭.৬৫ মিলিমিটার নেটো মেড ইন ইউএস আমেরিকা, দেশি অস্ত্র ৯টি, চায়নিজ কুড়াল একটি, রামদা একটি, ছ্যান চারটি ও ছুরি তিনটি জব্দ করা হয়।

সূত্র জানায়, সকালে গফরগাঁও থানার পুলিশের পক্ষ থেকে অস্ত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানানো হয়। একই সঙ্গে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার তিনজনের ছবিও প্রকাশ করে। পরে সকাল সাড়ে ১১টার দিকে জেলা পুলিশের কার্যালয় থেকে অস্ত্রসহ মো. কামরুল ও মো. ছাব্বির হোসেনকে গ্রেপ্তারের কথা জানানো হয়। তবে উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ককে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারের বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ।

জেলা পুলিশ বলছে, সহোদর দুই ভাই মো. কামরুল ও মো. ছাব্বিরকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গফরগাঁও উপজেলার হাটুরিয়া গ্রামের রইস উদ্দিনের ছেলে মো. মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলেও জানায় জেলা পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উথুরী গ্রামে অভিযান চালিয়ে সহোদর দুই ভাই সাব্বির ও কামরুলকে বিপুল পরিমাণ দেশিয় অস্ত্র, আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়। এদিকে একই দিন রাতে গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় মোক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ময়মনসিংহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, সহোদর ভাই সাব্বির ও কাসরুলকে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুক্তার হোসেনকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। থানা থেকে দেওয়া খবর ও ছবি ভুলবশত দেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগম ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এ বিষয়ে জানতে পরে গফরগাঁও থানার ওসি মো. আতিকুল ইসলামের নাম্বারে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।