× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

ময়মনসিংহে ২০০ টাকার ভাড়া ৬০০ টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৬:২৬ পিএম

বাসের অপেক্ষায় মানুষজন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বাসের অপেক্ষায় মানুষজন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ভোট উৎসবে মেতেছে পুরো দেশ। টানা কয়েক দিনের ছুটিতে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন মানুষজন। তাই ময়মনসিংহে বাসস্ট্যান্ড ও রেলওয়ে স্টেশনে উপচে পড়া ভিড়। ভাড়া বেড়েছে কয়েক গুণ। ২০০ টাকার ভাড়ার স্থলে যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে ৬০০ টাকা। ভোগান্তি ও ভাড়া বৃদ্ধি হলেও কষ্ট নেই যাত্রীদের। তাদের দাবি, সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে দেশে শান্তি ফিরে আসুক।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিতে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে ফিরছেন শত শত মানুষ। বাসস্ট্যান্ড ও রেলওয়ে স্টেশনে সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। ট্রেনের ছাদে, ইঞ্জিনের সামনে, বাস, ট্রাক ও পিকআপে করে বাড়ি ফিরছেন সাধারণ মানুষ। লোকজনের অতিরিক্ত চাপের কারণে অনেকে টিকিট কেটেও সিটে বসতে পারছেন না। এত কষ্টের পরেও দেশে শান্তি ফিরে আসুক—এটাই বলছেন যাত্রীরা।

ট্রেনে করে ঢাকা থেকে ময়মনসিংহে আসা আফরোজা আক্তার বলেন, ‘টিকিট করেও আমার সিট পর্যন্ত যেতে পারিনি। ট্রেনের ভেতর এত মানুষের চাপ, পা ফেলারও জায়গা ছিল না। এটি ঈদের মতো আনন্দ। বাড়িতে দীর্ঘদিন পর আসতে পেরে খুশি লাগছে। পাশাপাশি পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাব। চাই দেশটার মধ্যে শান্তি।’

আরেক যাত্রী শুভ কুমার দাস বলেন, ‘এত মানুষ বাড়ি ফিরবে ভাবাও যাচ্ছে না। ট্রেনের এমন কোনো অংশ নেই যেখানে মানুষের চাপ নেই। যে যার মতো করে ঝুঁকি নিয়ে আসছে। কারণ একটাই—দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হোক।’

নগরের পাটগুদাম বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা যায়, অতিরিক্ত যানবাহনের কারণে পা ফেলার জায়গা নেই। কেউ বাস, অটোরিকশা, পিকআপ, ট্রাক ও মাহেন্দ্র করে যে যেভাবে পারছেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত ভাড়া গুনে বাড়ি ফিরছেন। অতিরিক্ত ভাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন যাত্রীরা।

আরিফ হাসান নামে এক যাত্রী বলেন, ‘ভালুকা থেকে ময়মনসিংহে সর্বোচ্চ ভাড়া ৬০ টাকা। এখানে ১৫০–২০০ টাকার কমে কেউ আসতে পারছে না। তাও গাদাগাদি করে আসতে হচ্ছে। জীবন যেন জীবন না। এগুলো দেখারও কেউ নেই।’

ট্রেনে করে বাড়ি ফিরে শহুরে থাকা মানুষজন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

আরেক যাত্রী তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘নেত্রকোণার অটোরিকশা ভাড়া এই সময়ে সর্বোচ্চ ২০০–২২০ টাকা। কিন্তু নিচ্ছে ৬০০ টাকা। আমরা কোথায় যাব, কার কাছে প্রতিকার চাইব? সুযোগ পেলেই চালকরা তাদের মনমতো করে ভাড়া নিচ্ছে।’

অটোরিকশার চালক হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘সবাই যেভাবে ভাড়া নিচ্ছে আমিও সেভাবেই নিচ্ছি। ময়মনসিংহ থেকে সারাদিনে একবার গিয়ে নেত্রকোণা থেকে আসা অসম্ভব। কারণ যানজটে গাড়ি একেবারেই ধীরগতিতে চলছে। এতে আমাদের একটু ভাড়া বেশি না নিলে পোষাবে কীভাবে।’

বাসচালক হারুন অর রশিদ বলেন, ‘ময়মনসিংহ থেকে গাজীপুর ২০০ টাকা ভাড়া। আমরা ৩০০ টাকা করে নিচ্ছি। যাত্রীরা খুশি হয়েই দিচ্ছে।’

ভোটের পাশাপাশি পরিবারের সঙ্গে কয়েকটা ছুটি কাটাতে পারার আনন্দে ক্লান্তিহীনভাবে ছুটছেন মানুষজন। তারা বলছেন, ভোটের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা পাক গণতন্ত্র।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘যাত্রী ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হয়েছে। আমি নিজেও ব্রিজে গিয়ে বিষয়টি তদারকি করেছি। তবে জেলা প্রশাসন থেকে যদি একটু নজরদারি বাড়ানো হতো, তাহলে আরও ভালো হতো।’

Link copied!