আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। সাতক্ষীরা জেলার ৪টি সংসদীয় আসনেই এখন সাজ সাজ রব। দীর্ঘ সময় পর একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের অপেক্ষায় থাকা এই সীমান্তবর্তী উপকূলীয় জেলায় ভোটগ্রহণ ও সংবাদ সংগ্রহের সব প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন করেছে জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন অফিস।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের খবর সংগ্রহের জন্য নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে বৈধ সাংবাদিক কার্ড প্রদানের নীতিমালা জারি করা হলেও বাস্তবে তা যথাযথভাবে সাতক্ষীরায় অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে টাঙানো কার্ডপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, পেশাগত সাংবাদিক নন এমন ব্যক্তিরাও সাংবাদিক কার্ড পেয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয় ফেসবুক পেইজ ‘আপন বাংলা’, অনিবন্ধিত ‘গাঙচিল টিভি’ ও ‘এনএএন টিভি’-এর নামেও বৈধ সাংবাদিক কার্ড ইস্যু করা হয়েছে। শুধু তাই নয় উপজেলা প্রতিনিধিরা পেয়েছেন সাতক্ষীরা জেলাব্যাপী নির্বাচন দেখভালের দায়িত্ব।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সাতক্ষীরার ৪টি নির্বাচনি এলাকায় মোট ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রের জন্য সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের সংবাদ সংগ্রহের জন্য প্রায় ১ হাজার ২০০ সাংবাদিক আবেদন করেন। এর মধ্যে ৭৯১ জনকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সাংবাদিক কার্ড দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাতক্ষীরায় কর্মরত সিনিয়র ও মূল ধরার সংবাদকর্মীরা। মূলধারার অধিকাংশ সাংবাদিক মনে করেন, জাতীয় নির্বাচনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সময়ে সাংবাদিক কার্ড দেওয়ার ক্ষেত্রে নীতিমালা কঠোরভাবে মানা জরুরি।
সাতক্ষীরা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আফরোজা আকতার বলেন, ‘আমাদের কাছে একটি চেকলিস্ট রয়েছে। সেখানে অনুমোদিত জাতীয় পত্রিকা, স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন নিউজ পোর্টালের তালিকা আছে। সেই চেকলিস্ট অনুযায়ী যারা নির্ধারিত ক্রাইটেরিয়া পূরণ করতে পেরেছেন, শুধু তাদেরই কার্ড দেওয়া হয়েছে। আবেদন ছিল অনেক বেশি, রিজেক্টও হয়েছে অনেক।’

সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন