× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

আ.লীগের ১২ কোটি টাকার নলকূপ প্রকল্পে তৎপর আরডিএ

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৩:৪৪ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের আগে সমবায়ভিত্তিক খামার যান্ত্রিকীকরণ ও গভীর নলকূপ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার। তবে বগুড়ার চারটি উপজেলায় ১১ কোটি ৪১ লাখ টাকার ওই প্রকল্প কৌশলে বাস্তবায়নের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

নন্দীগ্রাম উপজেলার মুরাদপুর-পোতা মৌজার আবাদি জমিতে নিয়মবহির্ভূত ও ব্যাপক অনিয়মের মাধ্যমে গভীর নলকূপ স্থাপন কার্যক্রম বন্ধে সহায়তা চাওয়া হয়েছে। রোববার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়টি প্রকাশ করেন নন্দীগ্রাম মুরাদপুর এলাকার নিবন্ধিত নলকূপের পরিচালক তাপস চন্দ্র সরকার।

সূত্র জানায়, ‘২০১৮ সালে সমবায়ভিত্তিক চাষাবাদের মাধ্যমে পল্লী উন্নয়ন’ শীর্ষক কৃষি নীতির মাধ্যমে সমবায়ভিত্তিক খামার যান্ত্রিকীকরণ ও গভীর নলকূপ প্রকল্প অনুমোদন করে সরকার।

বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) এবং বিএডিসি প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায়। প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয় ১১ কোটি ৪১ লাখ টাকা, যা ২০২৩ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে সম্পন্ন করার লক্ষ্য ছিল।

তাপস চন্দ্র সরকার সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সময়কার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। বর্তমানে আরডিএ বগুড়া সরকারি ভর্তুকির টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ১৩ ফেব্রুয়ারি তড়িঘড়ি করে স্থাপনার কার্যক্রম শুরু করেছে।

আমাদের দাদু মৃত সূর্যকান্ত সরকারের নামে মুরাদপুর-পোতা মৌজায় নিবন্ধিত গভীর নলকূপসহ একই স্কিমে আরও দুটি নলকূপ রয়েছে। বর্তমানে পুকুর, বাগান ও বসতবাড়ি হওয়ায় আবাদি জমি মাত্র ৮০-৯০ বিঘায় সীমিত। এ অবস্থায় নতুনভাবে নিয়মবহির্ভূত নলকূপ স্থাপন চেষ্টা চালালে আমরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবো।

তিনি আরও জানান, উপজেলা প্রশাসন, বিএডিসি সেচ প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ করলেও প্রতিকার মেলেনি। ১৭ ফেব্রুয়ারি বগুড়া জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ পাঠানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির উপপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক রেবেকা সুলতানা বলেন, ২০২৩ সালে প্রকল্পটি অনুমোদন হয়েছিল। সমবায় সমিতি, জমি ব্যবস্থাসহ নানা কারণে কাজ বন্ধ ছিল। আমি যোগদানের পর পুনরায় কার্যক্রম শুরু করেছি।

শেরপুর উপজেলার চৌবাড়িয়া, শাজাহানপুর উপজেলার বামুনিয়া, বগুড়া সদর উপজেলার নুরুইল এবং নন্দীগ্রাম উপজেলার পৌতা এলাকায় গভীর নলকূপ স্থাপন কাজ চলমান। এখানে কোনো অনিয়মের সুযোগ নেই, সমবায় সমিতির মাধ্যমে কৃষকরা উপকৃত হবেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!