× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০২:২১ পিএম

১ বছরের সেতুর কাজ হয়নি ৫ বছরেও, ভোগান্তি চরমে

পিরোজপুর প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬, ০২:২১ পিএম

নির্মাণাধীন সেতুটি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নির্মাণাধীন সেতুটি। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুড়া-তেতুলতলা সড়কে ৩৭ মিটার দৈর্ঘ্যের সংযোগ সেতু নির্মাণের জন্য ৩ কোটি ৬১ লাখ ৬১ হাজার ৫৮৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। সেতুর কাজ চুক্তি অনুযায়ী, ১ বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে। কাজ এখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে ৭ থেকে ৮টি গ্রামের হাজারো মানুষ এখন নিত্য ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। বিকল্প পথে প্রায় ১০ কিলোমিটার ঘুরে যাতায়াত করতে হচ্ছে, যা সময় ও অর্থের অপচয় বৃদ্ধি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মঠবাড়িয়া উপজেলার বাইশকুড়া বাজার থেকে তেতুলতলা সংযোগ সড়কের সেতুর নির্মাণকাজ এখনো শেষ হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি না থাকায় শত শত যানবাহন এবং কয়েকটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ প্রতিদিন অসুবিধার সম্মুখীন হচ্ছেন। 

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে সেতু নির্মাণের কাজ পেয়েছে টিএন অ্যান্ড এএসআই লিমিটেড নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী সেতুটির কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এবং শেষ হওয়ার কথা ২০২১ সালের ডিসেম্বরে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পাঁচ বছরেও কাজ শেষ করতে পারেনি। পারাপারের জন্য স্থাপিত বিকল্প সাঁকোটিও ঝুঁকিপূর্ণ। শিশু ও বৃদ্ধরা পারাপারের সময় পড়ে আহত হয়েছেন।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাইশকুড়া-তেতুলতলা সংযোগ সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করা না হলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়বে। স্থানীয়রা জানান, ওইপারে একটি স্কুল ও চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে, কিন্তু সঠিকভাবে স্কুলে যাওয়া বা চিকিৎসা নিতে আসা সম্ভব হচ্ছে না। সাঁকো ভাঙা, রাস্তা খারাপ, বাজারে যাতায়াত কঠিন, এ অবস্থায় তাদের দৈনন্দিন জীবন কঠিন হয়ে পড়েছে।

মঠবাড়িয়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো. জিয়ারুল ইসলাম জানান, ব্রিজটির কাজ ২০২০ সালে শুরু হয়ে ২০২১ সালের ডিসেম্বরে শেষ হওয়ার কথা ছিল। এখনো ব্রিজের ছাদ, বিম এবং এপ্রোচের কাজ বাকি রয়েছে। ঠিকাদার মঠবাড়িয়ার সাবেক মেয়র, যাকে বহুবার লিখিত এবং মৌখিকভাবে কাজ শেষ করার জন্য বলা হয়েছে। কিছু জটিলতার কারণে কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি।

তবে প্রকল্প পরিচালক নির্দেশ দিয়েছেন দ্রুত কাজ মেজরমেন্ট করে রি-টেন্ডার করা হবে। মেজরমেন্ট সম্পন্ন হয়েছে, রি-টেন্ডার হলে দ্রুত কাজ শেষ করা হবে বলে জানান তিনি।

Link copied!