× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

ব্যবসা নিয়ে বিরোধ, ৩০ লাখ টাকার বাগান কেটে ফেলার অভিযোগ

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:০৮ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের মধুপুরে কলা ও আনারসের ব্যবসাকে কেন্দ্র করে আপন খালুর বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলেছেন প্রবাস ফেরত এক যুবক। ক্ষোভ ও হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যার চেষ্টাও করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী।

অভিযোগ অনুযায়ী, মধুপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা খন্দকার হাবিজুর রহমানের আহ্বানে তার ভাগিনা, একই উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রবাস ফেরত যুবক খন্দকার রকিবুল ইসলাম জিন্নাহ দেশে ফিরে যৌথভাবে কলা ও আনারসের ব্যবসা শুরু করেন।

ভুক্তভোগী জিন্নাহ জানান, ২০২০ সালে তার খালা তাকে জানান, খালু অসুস্থ এবং ব্যবসার জন্য পুঁজির প্রয়োজন। খালা-খালুর কথায় বিশ্বাস করে তিনি সিঙ্গাপুরে প্রবাস জীবনে উপার্জিত অর্থ এনে ধাপে ধাপে মোট ৬৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেন। পরে দেশে ফিরে নিজেই ব্যবসার তদারকি শুরু করেন।

তিনি বলেন, প্রথমদিকে সবকিছু ঠিকঠাক চললেও পরে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়, এমনকি মধুপুর থানায় অভিযোগও দেওয়া হয়।

জিন্নাহর দাবি, শোলাকুড়ি ইউনিয়নের জয়নাগাছা গ্রামে ২৫ বিঘা জমির ওপর গড়ে তোলা তার কলাবাগানে প্রায় ৫ হাজার কলাগাছ ছিল, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৩০ লাখ টাকা। সম্প্রতি বিক্রির উপযোগী সময় ঘনিয়ে এলে গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তার খালু খন্দকার হাফিজুর রহমানের নির্দেশে গাছগুলো কেটে সাবাড় করা হয়।

বাগানের ম্যানেজার ও স্থানীয় নারী শ্রমিকরা জানান, সকালে গিয়ে তারা দেখেন কলাগাছ, মোচা ও ছড়া কেটে ফেলা হয়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, ব্যবসা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। বিষয়টি দেনদরবার ও সালিশের মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা হচ্ছে। কলা কেটে ফেলার অভিযোগ সঠিক নয়।

এদিকে ভুক্তভোগী জিন্নাহ আরও জানান, মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমরান স্যারের উপস্থিতিতে এক দফা সালিশে ১০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। পরে জয়নাগাছা গ্রামের মাতব্বররা বসে সেই পরিমাণ ১২ লাখ টাকায় উন্নীত করেন। তিনি অতিরিক্ত ২ লাখ টাকাও মেনে নেন।

জুরি বোর্ড ২০০৪ সালের দলিলের ভিত্তিতে ১২ লাখ টাকা খালুকে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। এর আগে ওসির উপস্থিতিতে তিনি এক লাখ টাকা পরিশোধ করেছিলেন। পরে সালিশি বোর্ড সেই টাকা সমন্বয় করে আরও ১১ লাখ টাকা দিতে বলে।

তিনি দাবি করেন, এত টাকা বিনিয়োগ ও ক্ষতির পর তিনি এখন দিশেহারা। আর্থিক ও মানসিক চাপে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। বর্তমানে তিনি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও প্রধানমন্ত্রীর কাছে ন্যায়বিচার দাবি করছেন।

এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মাতব্বর বা সালিশি পক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!