× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

‘কিশোরীকে ধর্ষণকারী ও সালিশিদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না’

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১১:২৬ এএম

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেছেন, কিশোরীকে ধর্ষণকারী এবং সালিশে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সবাইকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী এলাকার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের কোতালিরচর গ্রামে কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ধর্ষণকারীদের মধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের রিমান্ডে নেওয়া হবে এবং আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিহত কিশোরীর মরদেহ নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। রিপোর্ট পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি এবং নিহত কিশোরীর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা ঘটনাটি থানাকে অবহিত করেননি। থানাকে অবহিত করলে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারত।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করে নরসিংদী সদর থানায় মামলা করা হয়েছে।

ধর্ষকদের মধ্যে এবাদুল্লাহ ও গাফফারকে এবং সালিশে জড়িতদের মধ্যে মহিষাশুড়া ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি ও সাবেক মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ান ও ধর্ষক নূরার চাচাতো ভাই মোহাম্মদ আইয়ুবকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তিনি জানান, পুলিশের একটি দল নরসিংদীর বাইরে অভিযান পরিচালনা করছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ডিআইজি বলেন, আমি একসময় ডিবিতে দায়িত্ব পালন করেছি। বর্তমানে ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে নিয়োজিত আছি। কোনো ধর্ষণকারী বা সালিশে জড়িত ব্যক্তি যেই হোক না কেন, কেউ ছাড় পাবে না। সবাইকে আইনের আওতায় আনা হবে।

এ সময় ডিআইজির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নরসিংদীর পুলিশ সুপার মো. আব্দুল্লাহ আল-ফারুক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ এবং নরসিংদী সদর থানার ওসি এআরএম আল মামুন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!