× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিক ও পুলিশের তুমুল সংঘর্ষ

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ০২:৪৬ পিএম

ছড়িয়ে পরেছে সংঘর্ষ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছড়িয়ে পরেছে সংঘর্ষ। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে বকেয়া বেতন-ভাতা, শ্রমিক ছাঁটাই ও নির্যাতনের অভিযোগে একটি পোশাক কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ঘিরে তুমুল সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুলিশসহ ২০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে উপজেলার মইকুলি এলাকার বি ব্রাদার্স কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানায় এ ঘটনা ঘটে। দুপুর পৌনে ১টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

উত্তেজিত শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অবরোধ করে রাখেন। এতে সড়কের উভয় পাশে প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। দূরপাল্লার যানবাহন, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্সসহ শত শত যানবাহন আটকা পড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে কাজ বন্ধ রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে একাংশ বাইরে এসে মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে শ্রমিকদের সরানোর চেষ্টা করে। একপর্যায়ে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

শ্রমিকদের দাবি, গত বছরের ডিসেম্বর এবং চলতি বছরের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন-ভাতা বকেয়া রয়েছে। প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের ছাঁটাই ও নির্যাতন করা হচ্ছে। ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং সেকশনের এক শ্রমিককে মারধরের অভিযোগও তোলেন তারা।

তাদের অভিযোগ, রমজান মাসে বেতন না পেয়ে তারা চরম আর্থিক সংকটে পড়েছেন। বাড়িভাড়া ও দোকানের বকেয়া পরিশোধে চাপ থাকায় অনেকেই মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সংঘর্ষ চলাকালে উত্তেজিত শ্রমিকরা সড়কে আটকে থাকা কয়েকটি যানবাহন ভাঙচুর করেন। কারখানার সামনেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক দফা টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এতে শ্রমিক, পুলিশ, সাংবাদিক ও পথচারীসহ ২০ জন আহত হন।

কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য দেননি। পুলিশের পক্ষ থেকেও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!