× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

শাড়ির আঁচল পেঁচিয়ে বৃদ্ধাকে হত্যার ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন

মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৬, ২০২৬, ০৭:০২ পিএম

গ্রেপ্তার আসামি মীর হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

গ্রেপ্তার আসামি মীর হোসেন। ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে বৃদ্ধা রেখা রাণী রায় (৬৫) হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। ঘটনার দেড় বছর পর আসামি মীর হোসেনকে (৪৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার আছমা আরা জাহান, ২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর বিকেলে সিরাজদিখান উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া এলাকার বাসিন্দা রেখা রাণী রায় নিখোঁজ হন। পরদিন একই এলাকার শাহাদাতের আলু সংরক্ষণাগারের পাশের আবুল তালুকদারের ধানক্ষেত থেকে তার দুই হাত-পা গামছা দিয়ে বাঁধা ও শাড়ির আঁচল গলায় প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

পরে নিহতের ছেলে প্রদীপ বিশ্বাস মরদেহ শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। সিরাজদিখান থানা পুলিশ ২৯ দিন তদন্ত চালানোর পর মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ইলিয়াস মিয়ার নেতৃত্বে মামলার তদন্ত শুরু হয়।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘ তদন্ত ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত ২ মার্চ রাত ১২টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার তন্তর ইউনিয়নের বারিগাঁও এলাকা থেকে অভিযুক্ত মীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তার অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। 

পরে ৫ মার্চ আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মীর হোসেন জানান, কবরস্থানে প্রবেশকে কেন্দ্র করে তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে রেখা রাণী রায়ের গলায় শাড়ির আঁচল পেঁচিয়ে ধরেন। এতে তিনি অচেতন হয়ে পড়লে তাকে মৃত ভেবে হাত-পা বেঁধে পাশের ধানক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।

Link copied!