পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের দুই জেলে অভিযোগ করেছেন, তালিকাভুক্ত জেলে হওয়া সত্ত্বেও তারা ২০২১ সালের পর থেকে সরকারি বরাদ্দের চাল পাননি। এ বিষয়ে তারা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে পৃথক লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
ভুক্তভোগী জেলেরা হলেন- বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিনল দাস (পিতা: মৃত পরিমল দাস) এবং গবিন্দ চন্দ্র দাস (পিতা: মৃত মহেন্দ্র চন্দ্র দাস)।
লিখিত অভিযোগে তারা জানান, মাছ ধরা তাদের প্রধান জীবিকা। তবে সরকার নির্ধারিত বিভিন্ন সময়ে নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় তারা নিয়মিত মাছ ধরতে পারেন না। ওই সময়ে জেলেদের সহায়তার জন্য সরকার থেকে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও তারা ২০২১ সালের পর থেকে সরকারি চাল পাননি।
তারা আরও জানান, নিষেধাজ্ঞার সময় সরকারি নির্দেশনা মেনে নদীতে জাল ব্যবহার না করলেও একই ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে তারা বরাদ্দের চাল পাননি। ফলে পরিবার নিয়ে তারা চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
ভুক্তভোগী জেলেরা দ্রুত তদন্ত করে তাদের প্রাপ্য সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
দশমিনা উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ জসীম উদ্দীন বলেন, ওই ইউনিয়নের ইউপি সদস্য বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ আমার কাছে জেলেদের কোনো তালিকা জমা দেননি। তালিকা পেলে আমি তা আমার তালিকার সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে পারতাম।
এছাড়া জেলেদের চাল বিতরণের সময়ও আমাদের অনেক ক্ষেত্রে অবহিত করা হয় না। তবে অভিযোগটি পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ জাফর আহমেদ জানান, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্যের সঙ্গে কথা বলছি। এবারের জন্য জেলেদের তালিকা ইতোমধ্যে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ধাপে তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।


সর্বশেষ খবর পেতে রুপালী বাংলাদেশের গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন