× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় বন্ধ সেতুর কাজ, ভোগান্তি চরমে

কুয়াকাটা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ৯, ২০২৬, ০৫:৪৪ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত হওয়ায় সেতুর নির্মাণ কাজ আটকে আছে। সেতুটির আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। পুরানো সেতু অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের কাজ শুরু হলেও বর্তমানে তা বন্ধ রয়েছে।

ফলে স্থানীয়রা বাঁশের সাঁকো তৈরি করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। চার গ্রামের মানুষের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ এই পথটি সচল রাখতে দ্রুত নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানাচ্ছে এলাকাবাসী। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ শীঘ্রই কাজ শুরু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

সরেজমিনে ঘুরে জানা গেছে, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলী ইউনিয়নের বড়হরপাড়া ও পৌরগোজা গ্রামের মাঝখানে বড়হর খালের ওপর নির্মিত এই আয়রন সেতুটি এক সময় হাজারো মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা ছিল।

২০০১ সালে নির্মিত সেতুর আয়ুষ্কাল শেষ হয়েছে তিন বছর আগে। ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পুরানো অবকাঠামো অপসারণ করে নতুন ব্রিজ নির্মাণের জন্য টেন্ডার দেয়া হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে।

পিরোজপুর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মহিউদ্দিন মহারাজের ভাই মিরাজুল ইসলামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড নির্মাণ কাজ শুরু করেছিল।

তবে ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দুদকের অনুসন্ধানে সরকারি কাজে নানা অনিয়মের অভিযোগে ঠিকাদারের লাইসেন্স ৫ বছরের জন্য কালো তালিকাভুক্ত হয়। ফলে স্থানীয় সাব-ঠিকাদার বিল না পাওয়ার আশঙ্কায় কাজ বন্ধ রেখেছেন।

ফলে নতুন সেতু নির্মাণ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। এদিকে সেতু না থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসী। নিজেদের উদ্যোগে খালের ওপর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করে পারাপার করছেন তারা। সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে স্কুল ও মাদ্রাসার কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।

প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে এই বাঁশের সাঁকো পার হয়ে তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে বাধ্য। সেতুটির উত্তর পাড়ে রয়েছে পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৮নং ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্র, আর দক্ষিণ পাড়ে মসজিদ-মাদ্রাসা। দ্রুত এই সমস্যার সমাধান না হলে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পৌরগোজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আয়শামনি বলেন, বৃষ্টির সময় সাঁকো দিয়ে যেতে খুবই ভয় লাগে। আমরা দ্রুত ব্রিজ চাই।

মম্বিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সেকান্দার শিকদার বলেন, এভাবে মাসের পর মাস কাজ বন্ধ থাকলে চলবে না। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করা হোক।

কলাপাড়া উপজেলা এলজিইডি কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স ডিবার সংক্রান্ত জটিলতার কথা স্বীকার করে বলেন, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইফতি ইটিসিএল লিমিটেড উচ্চ আদালতে আপিল দায়ের করেছে এবং ৯ মাসের জন্য ডিবার স্থগিতাদেশ পেয়েছে। আশা করছি নতুন সেতুর নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু হবে।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!