× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

টেকনাফে মাদকবিরোধী অভিযানে র‌্যাবের ওপর হামলা, গাড়িতে আগুন

রূপালী প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৬, ০৩:৪৬ এএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-এর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে র‌্যাবের ৮ থেকে ১০ জন সদস্য আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার (১১ মার্চ) রাতে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের নাজিরপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। র‌্যাব-১৫ টেকনাফ সিপিসি-১ এর স্কোয়াড কমান্ডার সোহেল রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, নাজিরপাড়ায় মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে র‌্যাবের একটি সুনির্দিষ্ট অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় মাদক কারবারি ও তাদের সহযোগীরা র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং র‌্যাবের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে তিনি নিজেসহ ৮ থেকে ১০ জন সদস্য আহত হন। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদক ও হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

এদিকে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, ওই সময় নাজিরপাড়া ফুটবল মাঠে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত একটি ইফতার মাহফিল চলছিল। সেখানে উপস্থিত সদর ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মো. ফরিদ আলমকে র‌্যাব সদস্যরা আটক করলে এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে কিছু লোক র‌্যাব সদস্যদের ওপর হামলা চালায় এবং একটি মোটরসাইকেলে আগুন দেয়। খবর পেয়ে টেকনাফ মডেল থানার পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম বলেন, র‌্যাবের অভিযানের সময় ওই এলাকায় হামলার ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। র‌্যাব অভিযোগ দিলে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক দেবাশীষ সরকার জানান, আহত অবস্থায় র‌্যাবের সাত সদস্যকে হাসপাতালে আনা হয়। তাদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে আটক ফরিদ আলমের বাবা মো. সিদ্দিক দাবি করেন, ইফতার মাহফিল চলাকালে সাদা পোশাকে ১০-১৫ জন র‌্যাব সদস্য কোনো কথা না বলেই তাদের ঘিরে ফেলেন। এতে স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে পড়েন।

তিনি বলেন, আমরা কোনো গাড়িতে আগুন দিইনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চাই।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!