× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম

বিয়ের বাড়ি থেকে কবরস্থান

সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের দাফন সম্পন্ন

বাগেরহাট প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৩, ২০২৬, ০৫:৪৬ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

বিয়ের আনন্দ শেষ হতে না হতেই মুহূর্তেই তা পরিণত হয়েছে শোকে। নববধূকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নয় সদস্যসহ ১৪ জনের প্রাণহানির ঘটনায় শোকের মাতম বইছে এলাকাজুড়ে। স্বজনদের আহাজারি ও কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে চারপাশের পরিবেশ।

শুক্রবার (১৩ মার্চ) জুমার নামাজের পর জানাজা শেষে নিহতদের দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১০ জনকে মংলা পৌর কবরস্থানে দাফন করা হয়। এছাড়া নববধূসহ তাঁর পরিবারের দুই সদস্যকে খুলনার কয়রা উপজেলায় এবং অপর একজনকে খুলনায় দাফন করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন আব্দুর রাজ্জাক ও তার ছেলে, পুত্রবধূ, নাতি-নাতনিসহ আট সদস্যকে নিয়ে তিনি একসঙ্গে না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। পরিবারের বেঁচে থাকা সদস্যরা শোকে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন। প্রতিবেশীরাও সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না।

জানা গেছে, খুলনার কয়রা উপজেলার বাসিন্দা আব্দুস সালাম মোড়লের মেয়ে মিতুর সঙ্গে আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বিরের বিয়ে সম্পন্ন করে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মংলার নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন তারা।

বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার গুনাই ব্রিজ এলাকায় নৌবাহিনীর একটি বাসের সঙ্গে নববধূবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১৪ জন নিহত হন।

বিয়ের পর দাম্পত্য জীবন শুরুর আগেই নিভে যায় নবদম্পতির জীবনপ্রদীপ। একই সঙ্গে পরিবার প্রধান আব্দুর রাজ্জাকও পরিবারের আট সদস্যকে নিয়ে চিরবিদায় নেন।

দুর্ঘটনায় নিহতদের মরদেহ বাড়িতে পৌঁছালে এলাকাজুড়ে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ। পরিবারের জীবিত সদস্যরা বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্থানীয়রা ছুটে এসে শোকাহত পরিবারের পাশে দাঁড়ালেও কারও মুখে সান্ত্বনার ভাষা নেই।

এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন আব্দুর রাজ্জাকের পুত্রবধূ পুতুল ও তাঁর তিন শিশু সন্তান। বোন ও তিন ভাগ্নেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন পুতুলের বড় ভাই লিটন শিকারি। বোন ও ভাগ্নেদের কথা বলতে গিয়ে তিনি বারবার আহাজারি করছেন এবং মাঝেমধ্যে অচেতন হয়ে পড়ছেন।

নিহত আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছে, এমন মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা যেন আর কোনো পরিবারকে দেখতে না হয়। এই দুর্ঘটনায় পুরো এলাকাজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!