× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

প্রণোদনার সার-বীজ যেন প্রকৃত কৃষক পায়: এমপি বাবুল

কালীগঞ্জ (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ১৭, ২০২৬, ০৫:১২ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে খরিপ-১ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উফশী আউশ ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ১ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দুপুরে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এসব সার ও বীজ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামিমা আক্তার জাহানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনের সংসদ সদস্য রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার কান্তি রায়। আরও উপস্থিত ছিলেন কালীগঞ্জ থানার ওসি আবু সিদ্দিক, তুষভান্ডার ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাবিবুল্লাহ বাহার প্রমুখ।

রোকন উদ্দিন বাবুল এমপি বলেন, ‘কৃষি সম্পর্কে বলতে গেলে মনে পরে আমার দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কথা। বাংলাদেশে যখন দূর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল, সেই সময় তিনি কৃষিতে বিভিন্ন প্রযুক্তি যোগ করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন। সেই সময় মাটিতে যে কোন বীজ বপন করলেও ভালো ফলন হতো। আমাদের দেশে অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো ফসল হয়। দূর্ভিক্ষের সময় আউশ ধান দুই এক মন হলেও মানুষ এক বেলা খেয়ে আর এক বেলা খেতে পারতো না।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের ৮০ ভাগ মানুষ যেহেতু কৃষির সাথে জড়িত, আমাদের দেশ কৃষি নির্ভরশীল। ধান নিয়ে গবেষণা করে বিভিন্ন জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। যেখানে আগে বিঘায় দুই এক মণ ধান হত, এখন বিঘা প্রতি ২০-২৫ মণ ধান হয়। বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার পিছনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান অমূল্য।’

রোকন উদ্দিন বাবুল বলেন, ‘কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করে এ বীজ ও সার দেয়া হচ্ছে। এটি সঠিক সিদ্ধান্ত। প্রকৃত কৃষক যারা কৃষির সাথে জড়িত, তাদেরই বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। পূর্বে শোনা যেত প্রকৃত কৃষক বীজ না পেয়ে দলীয় নেতাকর্মীরা বীজ পেত। আমরা চাই না এমন অবস্থা ফিরে আসুক। দলমত উর্ধ্বে থেকে প্রকৃত কৃষককে নির্বাচন করতে হবে। সরকারের প্রণোদনার বীজ ও সার প্রকৃত কৃষকের হাতে পৌঁছানোই মূল লক্ষ্য। এজন্য কৃষি কর্মকর্তাদের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।’

জানা গেছে, কালীগঞ্জ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের ১ হাজার ক্ষুদ্র-প্রান্তিক কৃষকের প্রতি জনকে ৫ কেজি করে ধানের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি সার এবং ১০ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।

Link copied!