× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

হ্যালোবাইক হাতিয়ে নিতে বন্ধুকে গলাকেটে হত্যা, গ্রেপ্তার ৩

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

ছবি : রূপালী বাংলাদেশ

মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় চারদিন আগে কালিগঙ্গা নদী থেকে রফিক মিয়া (২৭) নামের এক হ্যালোবাইক চালকের মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

তবে এখনো নিহতের মাথা উদ্ধার করা যায়নি। হ্যালোবাইক ছিনতাই করার জন্যই রফিককে হত্যা করা হয় বলে শনিবার সকালে পিবিআইয়ের মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী তাঁর কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জেলার ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামের মো. রিপন মিয়া (৩০), সদর উপজেলার পাছবারইল গ্রামের আরমান হোসেন (২০) এবং একই গ্রামের সজিব হোসেন (২৫)।

এজাহার ও সংবাদ সম্মেলন সূত্রে জানা যায়, ঘিওর উপজেলার রাথুরা গ্রামের রফিক মিয়া ব্যাটারিচালিত তিন চাকার হ্যালোবাইক চালক ছিলেন। গত মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে হ্যালোবাইক নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন তিনি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরদিন বুধবার দুপুরে পাছবারইল গ্রামের এক ব্যক্তি কালীগঙ্গা নদীতে গোসল করতে গিয়ে নদীর তীরে মানুষের একটি পা দেখতে পান। শরীরের বাকি অংশ নদীর তীরে মাটির নিচে চাপা ছিল।

পরে পুলিশকে খবর দিলে বিকেলে ঘটনাস্থল থেকে মস্তকবিহীন ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজনরা রফিকের পোশাক দেখে পরিচয় নিশ্চিত করেন। ঘটনার পর পিবিআই মানিকগঞ্জ তদন্ত শুরু করে।

শনিবার মানিকগঞ্জ পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী সংবাদ সম্মেলনে জানান, নিহত রফিক ও নির্মাণ শ্রমিক রিপন বন্ধু ছিলেন। হ্যালোবাইকটি হাতিয়ে নিতে পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর গাঁজা খাওয়ার কথা বলে রফিককে পাছবারইল এলাকায় কালীগঙ্গা নদীর পাড়ে নিয়ে যান রিপন ও তাঁর সহযোগী সজিব ও আরমান। সেখানে আরমান রফিকের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

পরে রিপন দা দিয়ে রফিকের গলা কেটে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করেন। এ সময় আরমান তাঁর দুই হাত এবং সজিব দুই পা চেপে ধরেন। পরে হত্যার পর রফিকের মাথা নদীতে ফেলে দেওয়া হয় এবং শরীরের অংশ নদীর তীরে মাটিচাপা দেওয়া হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পরদিন বুধবার ভোরে রফিকের ব্যাটারিচালিত হ্যালোবাইকটি রিপন সাভারের ধামরাই উপজেলার কালামপুর এলাকায় নিয়ে গিয়ে ৩৬ হাজার টাকায় বিক্রি করেন।

পিবিআই আরও জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গত বৃহস্পতিবার ধামরাইয়ের কালামপুর বাজার এলাকা থেকে রিপনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরমান ও সজিবকেও গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একটি গ্যারেজ থেকে হ্যালোবাইকটি উদ্ধার করা হয়।

পিবিআই পুলিশ সুপার জয়িতা শিল্পী বলেন, নিহতের মাথা উদ্ধারে ডুবুরি দল দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তবে এখনো উদ্ধার সম্ভব হয়নি। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মো. আরিফ মিয়া বাদী হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। গ্রেপ্তার আসামিদের আদালতে পাঠানো হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন এবং পরে আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!