× UCB Sticker Card
বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

ফ্যামিলি কার্ডের নামে প্রতারণা, আটক ২

মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিবেদক

প্রকাশিত: মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৭:১৯ পিএম

ছবি- সংগৃহীত

ছবি- সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উদ্যোগে অসহায়দের জন্য ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এই উদ্যোগকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তুলেছে রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার দুই প্রতারক। তারা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষকে ভুল বুঝিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। ফ্যামিলি কার্ডের জন্য তারা ভুয়া ফরম তৈরি করে টাকা নিতেন। অবশেষে গত শুক্রবার (২৭ মার্চ) টাকা নেওয়ার সময় ওই দুই প্রতারককে হাতেনাতে আটক করেন স্থানীয়রা।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ডাবরা গ্রামে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। আটক দুই প্রতারক হলেন মনোরঞ্জন শীল ও শরিফুল ইসলাম। তারা মিঠাপুকুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের ডাবরা এলাকার বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ঈদুল ফিতরের আগে থেকেই দূর্গাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আসছিল ওই দুই প্রতারক। গত শুক্রবার ডাবরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে তারা নিজেদের বিএনপির কর্মী বলে পরিচয় দেন এবং ফ্যামিলি কার্ডের কথা জানান। তারা গ্রামের দরিদ্র পরিবারগুলোকে টার্গেট করে স্বল্পমূল্যে পণ্য পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। কার্ডপ্রতি ফরম ও অন্যান্য খরচ বাবদ ১ হাজার টাকা দাবি করেন। কয়েকটি পরিবারের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। গ্রামবাসীরা তাদের পরিচয় ও কার্ড দেওয়ার বৈধতা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অসংলগ্ন কথা বলতে থাকেন। একপর্যায়ে তারা সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলে স্থানীয়রা তাদের ঘেরাও করে পুলিশকে খবর দেন।

ভুক্তভোগী আমেনা বেগম বলেন, ফরম বাবদ ৫০০ টাকা দিলেই ফ্যামিলি কার্ড হবে এই কথা বিশ্বাস করে আমি টাকা দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু তাদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে পাড়ার লোকজনকে ডাকি। পরে বুঝতে পারি, তারা প্রতারক।

ভুক্তভোগী আজমল হোসেন বলেন, তারা নিজেদের সরকার ও বিএনপির প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে। আমার কাছ থেকেও এক হাজার টাকা চেয়েছে। কার্ডের ফরমও দেখিয়েছে, কিন্তু তাতে কোনো সরকারি সিল বা স্বাক্ষর ছিল না। পরে আসল বিষয়টি পরিষ্কার হয় তারা ভুয়া এবং প্রতারক।

বিক্ষুব্ধ জনতা দুই প্রতারককে দীর্ঘ সময় আটকে রাখে। পরে মিঠাপুকুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে তাদের উদ্ধার করে ছেড়ে দেয়।

এদিকে, প্রকাশ্যে প্রতারণার ঘটনা ঘটলেও দুই প্রতারকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে নানা প্রশ্ন উঠেছে। অনেকেই বলছেন, এভাবে অপরাধীদের ছেড়ে দিলে অপরাধ আরও বাড়বে।

মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। আটক ব্যক্তিরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারণার কথা স্বীকার করেছে। পরে এলাকাবাসীর অনুরোধে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!