× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম

কলমাকান্দায় পাহাড়ি ঢলে ভেঙেছে সড়ক, ভেসেছে বীজতলা

কলমাকান্দা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৭:৪৩ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

অতিবৃষ্টি ও ভারতের মেঘালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সড়ক ভেঙে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে, নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি কক্ষ এবং ভেসে গেছে মাছের ঘের ও আমনের বীজতলা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

সোমবার (২০ জুলাই) বিকেলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, কৃষক ও বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে নাজিরপুর ও লেংগুরা ইউনিয়নের নলছাপ্রা বাজার-বালুচড়া উচ্চবিদ্যালয় সড়ক। পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে সড়কটির প্রায় ১০০ ফুট অংশ ধসে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কৃষকসহ সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বেড়েছে।

লেংগুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, নলছাপ্রা বাজার-বালুচড়া উচ্চবিদ্যালয় সড়কসহ ইউনিয়নের একাধিক সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চেংনী নদীর ভাঙনে প্রায় ৫০ একর ফসলি জমিতে বালু জমেছে। এছাড়া ছোট-বড় মাছের পুকুর ভেসে গেছে এবং আমনের বীজতলা নষ্ট হয়েছে।

খারনৈ ইউনিয়নের গজারমারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে। বিদ্যালয়ের একটি অফিস কক্ষ ও একটি শ্রেণিকক্ষ নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সড়কও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দ্বীন ইসলাম বলেন, মুহূর্তের মধ্যে অফিস কক্ষ ও একটি শ্রেণিকক্ষ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। এতে প্রয়োজনীয় নথিপত্র, আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণের ক্ষতি হয়েছে। পাঠদান চালিয়ে নেওয়া এখন বড় চ্যালেঞ্জ। দ্রুত ভাঙনরোধ ও বিদ্যালয় পুনর্নির্মাণে কর্তৃপক্ষের জরুরি উদ্যোগ প্রয়োজন।

খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবাইদুল হক জানান, পাহাড়ি ঢলের কারণে ইউনিয়নের বিভিন্ন কাঁচা ও পাকা সড়কে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি আমনের বীজতলা ও মাছের পুকুরেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার প্রধান উব্দাখালী নদীর পানি কলমাকান্দা সদর ডাকবাংলো পয়েন্টে বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলে নতুন করে প্লাবন ও নদীভাঙনের ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, প্রতি বর্ষায় পাহাড়ি ঢলে দুর্ভোগ হলেও এবার ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি। তারা ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের দ্রুত সংস্কার, নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছেন।

রূপালী বাংলাদেশ

Link copied!