× UCB Sticker Card
মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬

ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Rupali Bangladesh

ইনস্টাগ্রাম

Rupali Bangladesh

এক্স

Rupali Bangladesh


লিংকডইন

Rupali Bangladesh

পিন্টারেস্ট

Rupali Bangladesh

গুগল নিউজ

Rupali Bangladesh


হোয়াটস অ্যাপ

Rupali Bangladesh

টেলিগ্রাম

Rupali Bangladesh

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Rupali Bangladesh


En Bn

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

দুই মাদ্রাসা পরিদর্শনে এমপি-ইউএনওর ক্ষোভ, কম উপস্থিতি ও শিক্ষার মান নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

প্রকাশিত: জুলাই ২০, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

ছবি- রূপালী বাংলাদেশ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার দুটি মাদ্রাসায় আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কম উপস্থিতি, শিক্ষার মান ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুপম দাস।

সোমবার (২০ জুলাই) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের চিলাকারা বালিকা দাখিল মাদ্রাসা ও শৈলজানি আলিম মাদ্রাসা পূর্বঘোষণা ছাড়াই পরিদর্শন করেন সংসদ সদস্য। পরিদর্শনে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির চিত্র দেখে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনে দেখা যায়, চিলাকারা বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় মোট ৩০২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত ছিল মাত্র ৫৯ জন। বিভিন্ন শ্রেণিতে উপস্থিতির হার ছিল অত্যন্ত কম। অন্যদিকে শৈলজানি আলিম মাদ্রাসায় ৪৮৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে উপস্থিত পাওয়া যায় মাত্র ১০৬ জনকে। প্রতিষ্ঠানটির ২৬ জন শিক্ষকের মধ্যে ২২ জন উপস্থিত ছিলেন। একজন শিক্ষক পারিবারিক কারণে ছুটিতে থাকলেও আরও তিনজনের মধ্যে একজন ফোনে ছুটি নিয়েছেন এবং অপর দুইজনের অনুপস্থিতির কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ।

পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে তাদের পাঠদানের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। একই সঙ্গে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান, পরিচ্ছন্নতা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যাখ্যা চান।

সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, আমি শিক্ষাবান্ধব মানুষ। কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়তে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি। কিন্তু দুটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে আমি অত্যন্ত হতাশ হয়েছি। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি খুবই কম, শিক্ষার পরিবেশ সন্তোষজনক নয় এবং শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতারও ঘাটতি রয়েছে। শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন করে তাদের শিক্ষার মান নিয়েও সন্তুষ্ট হতে পারিনি।

তিনি আরও বলেন, মাদ্রাসার বাথরুমগুলো অপরিচ্ছন্ন, খেলার মাঠ অনুপযোগী এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে শিক্ষক ও পরিচালনা কমিটির গাফিলতি রয়েছে। বসে বসে বেতন নেওয়ার দিন শেষ। যারা নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে আসে না, তাদের খোঁজ নিয়ে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে শিক্ষার্থীদের পুনরায় মাদ্রাসামুখী করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের অবহেলা বরদাশ্ত করা হবে না।

পরিদর্শন শেষে সংসদ সদস্য ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ও পরিদর্শন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ এনামুল হক, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদুল হক মাসুদ, কৃষক দলের সভাপতি শামসুল হক মিঠু, যুবদলের সদস্য সচিব রাকিবুল আলম ছোটন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাজহারুল হক উজ্জ্বলসহ স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ।

Link copied!